জেলায় টিকার আওতায় আসবে ৪ লক্ষ ২৬ হাজার শিশু

স্টাফ রিপোর্টার
করোনাভাইরাস প্রতিরোধে ৫ থেকে ১১ বছর বয়সী শিশুদের টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার সুনামগঞ্জ পৌর শহরের শহর বালিকা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন করেন সিভিল সার্জন ডা. আহম্মদ হোসেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. আবদুল্লাহ আল বিরুনী খান, সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শরীফুল আবেদীন কমল এবং পৌরসভার এমটি ইপিআই কর্মকর্তাগণ।
জানা যায়, সুনামগঞ্জ জেলায় প্রায় ৪ লক্ষ ২৬ হাজার শিশুকে টিকার আওতায় আনা হবে। এরমধ্যে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলায় ৪১ হাজার ৯১২ জনকে টিকা প্রদান করা হবে। প্রথম দিন জেলার ১৭টি কেন্দ্রে টিকাদান করা হচ্ছে। ৫ থেকে ১১ বছর বয়সী শিশুদের দেওয়া হচ্ছে তাদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি ফাইজার—বায়োএনটেকের টিকা। প্রথম ডোজ নেওয়ার আট সপ্তাহ পর দেয়া হবে দ্বিতীয় ডোজ।
শহর বালিকা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১ শ্রেণির শিক্ষার্থী উমাইরা উসমানগনী বললেন, করোনার টিকা দিয়েছি, খুব ভালো লেগেছে।
উমাইরা উসমানগনীর পিতা উসমানগনী উত্তম বললেন, সরকার খুব ভালো উদ্যোগ নিয়েছেন। সকল অভিভাবককে অনুরোধ করব আপনার সন্তানদের টিকা দিন।
সুনামগঞ্জ পৌরসভার টিকাদানকারী মনিমালা রায় বললেন, আজকে সকাল ৯ টায় টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। আমরা অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ভাবে সরকারি নিয়ম মেনে শিশুদের টিকা প্রদান করছি।
ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. আবদুল্লাহ আল বিরুনী খান বলেন, প্রতিটি উপজেলার ২—৩টি কেন্দ্রে আজ টিকা দেয়া হচ্ছে। অনলাইনেই টিকার জন্য নিবন্ধন করতে হবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরাই এই নিবন্ধনের কাজ করবেন। তারপর টিকা কার্ড নিয়ে শিশুরা স্কুলেই টিকা নেবে।
তিনি বলেন, ৫ থেকে ১১ বছরের শিশুদের জন্মনিবন্ধন দিয়ে নিবন্ধন করা যাবে। এনআইডির মতো করেই সুরক্ষা অ্যাপে নিবন্ধন করে তারপর ভ্যাকসিন নিতে হবে। যাদের জন্মনিবন্ধন থাকবে না, তাদের স্কুলের শ্রেণি, রোল, শাখা লিখে টিকার আওতায় আনা হবে। পরবর্তী সময়ে তাদের তথ্য, সুরক্ষা অ্যাপে আপডেট করে নেয়া হবে।
সিভিল সার্জন ডা. আহম্মেদ হোসেন বললেন, ৫—১১ বছর বয়সের শিশুদের ভ্যাকসিন দেওয়া শুরু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে কেন্দ্র সংখ্যা বাড়বে।