ঝড়ে ৩ শতাধিক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত

স্টাফ রিপোর্টার
শাল্লায় কালবৈশাখী ঝড়ে কমপক্ষে তিন শতাধিক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। কয়েক’শ গাছগাছালি উপড়ে পড়েছে। ৭ টি বড় ট্রলার ঝড়ের তা-বে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ৮ টি বৈদ্যুতিক পিলার ভেঙেছে। গাছ-গাছালি ভেঙে বিদ্যুৎ লাইনে পড়ায় পুরো উপজেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। ৬ টি গরুর মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন কমপক্ষে ১০ জন। শুক্রবার সকাল সাড়ে ৭ টা থেকে কয়েক মিনিট ঝড়ের তা-ব হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল সাড়ে ৭ টায় প্রচ- বেগে কালবৈশাখী ঝড় শুরু হয়। ঝড়ে উপজেলার আনন্দপুর, নিয়ামতপুর, হবিবপুর, নোয়াগাঁও, হরিনগর, আঙ্গাউড়া, সুখলাইন, বাহাড়া, রঘুনাথপুর, শাল্লা সদর, ডুমরা, সুলতানপুর, শান্তিপুর, মুক্তারপুর, মান্নানপুর, নাইন্দা, হরিপুর, কল্লি, রূপসা, কলাকান্দি, যাত্রাপুর, ফয়জুল্লাপুর, প্রতাপপুর, ভেড়াডহর, মেধা কান্দিগাঁও, রহমতপুরসহ কমপেক্ষ ৫০ টি গ্রামের তিন শতাধিক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়। এসময় ঘরের নীচে চাপা পড়ে প্রতাপপুর গ্রামে দুটি গরু, ফয়জুল্লাপুর গ্রামে ৩ টি গরু এবং শশারকান্দি গ্রামে ১ টি গরু মারা যায়।
ঝড়ের সময় নদীতে থাকা ৭ টি ইঞ্জিনচালিত ট্রলার উড়িয়ে নিয়ে ভেঙে তছনছ করে দেয়।
ভেড়াডহর গ্রামের বাসিন্দা সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান রবীন্দ্র বৈষ্ণব বলেন,‘কালবৈশাখী তা-বে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। কয়েক’শ মানুষ দুর্ভোগে পড়েছেন।’
সুখলাইন গ্রামের কৃষক বিপ্লব দাস বলেন,‘খলা এবং ঘরের গোলা থেকেও ধান উড়িয়ে নিয়ে গেছে আমার। ঘরটি বিধ্বস্ত হয়েছে। আমাদের গ্রামেরই কমপক্ষে ২০০ গাছ উপড়ে পড়েছে। ৫ টি বিদ্যুতের পিলার ভেঙে পড়েছে।’
শাল্লা ইউনিয়নের ছব্বিশা গ্রামের সিরাজ মিয়া জানালেন, ঝড়ের সময় তার ট্রলার তুলে নিয়ে কান্দায় ফেলে দেয় এবং ভেঙে তছনছ হয়ে যায়।
স্থানীয় সংসদ সদস্য ড. জয়া সেন গুপ্তা জানিয়েছেন, ঝড়ে বেশ কিছু ঘরবাড়ি বিধ্বস্থ হয়েছে। গরু মারা গেছে। দুর্ভোগে পড়েছে মানুষ। জেলা প্রশাসককে মানুষের দুর্ভোগ কমানোর জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের জন্য অনুরোধ করেছেন তিনি।