টাঙ্গুয়ার পরিবেশ নিয়ে কাউকে ফাজলামি করতে দেয়া যাবে না-কবির বিন আনোয়ার

স্টাফ রিপোর্টার
পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব কবির বিন আনোয়ার বলেছেন, ‘ডেল্টা প্লান অনুযায়ী দেশের সকল নদ-নদী, জলাশয়, খাল খননের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে ভরাটকৃত সকল নদী, জলাশয়, খাল খনন করে পানি প্রবাহ বৃদ্ধি করা হবে। এতে নৌপথ বৃদ্ধি হবে। সারা দেশের ন্যায় সুনামগঞ্জের ১২টি নদী ও খাল খনন করা হবে। ১০ হাজার নদী ও খালের মধ্যে প্রথমে ৫৮৫ টি খননের উদ্যোগ নেয়া হবে। আগামী মঙ্গলবার এসব প্রকল্প একনেক সভায় উপস্থাপন করা হবে।’
বৃহস্পতিবার বিকালে নদ-নদী ও খাল খননের বিষয়ে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে জেলা পানি ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল আহাদের সাথে কথা বলার সময় এসব কথা বলেন তিনি।
পানি সম্পদ সচিব আরও বলেন, ‘সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওরের পরিবেশ যে কোন মূল্যে রক্ষা করতে হবে। টাঙ্গুয়ার হাওরের পরিবেশ নিয়ে কাউকে ফাজলামি করতে দেয়া যাবে না। হাওরের বোরো ফসলরক্ষা বাঁধকে মজবুত করতে বাঁধের পাশে হিজল-করছ গাছ লাগাতে হবে।’
জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষ থেকে ভিডিও কনফারেন্সে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব কবির বিন আনোয়ারের সাথে সুনামগঞ্জের নদী-খাল খনন ও হাওরের বাঁধ নিয়ে কথা বলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ।
জেলা প্রশাসক বলেন, ‘টাঙ্গুয়ার হাওরে সার্বিক নিরাপত্তার বিষয়ে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে সার্বক্ষণিক আনসার-পুলিশ নিয়োজিত থাকে। হাওরের পরিবেশ রক্ষায় জেলা প্রশাসন তৎপর রয়েছে। বোরো ফসলরক্ষা বাঁধের পাশে হিজল-করচ গাছ লাগানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।’
ভিডিও কনফারেন্সে উপস্থিত ছিলেন, পুলিশ সুপার মো. বরকতুল্লাহ খান, জেলা স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ পরিচালক মো. এমরান হোসেন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. হারুন অর রশিদ, জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড এর পওর-১ শাখার নির্বাহী প্রকৌশলী আবু বকর সিদ্দিকী ভূঁইয়া, জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড এর পওর-২ শাখার নির্বাহী প্রকৌশলী খুশি মোহন সরকারসহ জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাগণ।