ডিউটি না করেই বেতন তুলেন কোন কোন ডাক্তার

বিশেষ প্রতিনিধি
শহরতলির কোরবাননগর ইউনিয়নের মাইজবাড়ীর মখলিছ মিয়া রোববার থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত (২রা জানুয়ারি পর্যন্ত) ৩ দিনেই সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে তাঁর ৬ বছরের শিশু পুত্র সারোয়ার জাহানকে (৬) নিয়ে এসেছেন। সারোয়ারের কানে ধান ডুকে গেছে, কানের ভেতর থেকে ধান বের করার জন্য হাসপাতালে আসা যাওয়া করছেন তিনি। মঙ্গলবার দুপুর ১ টায় এ প্রতিবেদককে মখলিছ তার কষ্টের কাহিনী বলার সময় বরান্দায় থাকা আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও)  মো. রফিকুল ইসলাম শুনে ইএনটি’র সিনিয়র কনসালটেন্ট ডা. ইমাদ হোসেন চৌধুরীকে ফোন দিয়ে বলেন,‘আপনার রোগী সাংবাদিকের কাছে অভিযোগ জানাচ্ছে, এসে রোগী দেখেন।’ এর কিছুক্ষণ পর দোতলায় এসে নিজের কক্ষের দরজা খোলে সারোয়ারের কান থেকে ধান বের করে দিলেন ডা. ইমাদ হোসেন চৌধুরী।
মখলিছ মিয়া বললেন,‘সাংবাদিক ভাই আপনি তো কালও সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত বারান্দায় আমাকে ঘুরতে দেখেছেন, কেউ আমাকে ভাল করে বলেও না যে ডাক্তার আছেন কী-না বা আসবেন কী-না।’
মখলিছ মিয়ার কথা শুনে পাশে দাঁড়ানো একই গ্রামের আবুল হোসেন এগিয়ে এসে বলেন,‘কেবল এই ডাক্তার সাব নায় হুনছি (শুনেছি) বড় ডাক্তার নূরুল আমিন, ডা. খায়রুল বাশার, ডা. মজিবুল রহমানসহ কয়েকজন এই হাসপাতালের  ডিউটি দেখাইয়া বেতন তুলইন (তুলেন), ইখানো আইন সপ্তায় (সপ্তাহে) এক কী-দু’দিন।’
সোম ও মঙ্গলবার (১ও ২ জানুয়ারি) বেলা ১১ টা থেকে ২ টা পর্যন্ত সদর হাসপাতালে সরেজমিনে ঘুরে এই অভিযোগের সত্যতাও পাওয়া গেলো।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. এ.এস.এম আব্দুল মোমেন ২১ ডিসেম্বর যোগদান করেই ছুটি নিয়ে চলে গেছেন এরপর আর কেউ দেখে নি তাঁকে। ছুটি শেষ হবার পরও (শনিবার (১৩ জানুয়ারি) পর্যন্ত) তিনি আসেন নি। সার্জারীর সিনিয়র কনসালটেন্ট ডা. বিশ্বজিৎ গোলদার, ডা. জয়ন্ত কুমার দাশ (সিনিয়র কনসালটেন্ট অ্যানেসথেশিয়া) ডা. ইমাদ হোসেন চৌধুরী (ইএনটি কনসালটেন্ট), ডা. আব্দুর রউফ (সিনিয়র কনসালটেন্ট কার্ডিওলজি), ডা. রফি আহমদ (অর্থোপেডিক সার্জারী কনসালটেন্ট), ডা. নুরুল আমিন মিয়া (সিনিয়র কনসালটেন্ট ডেন্টাল), ডা. বিষ্ণু প্রসাদ চন্দ (জুনিয়র কনসালটেন্ট মেডিসিন), ডা. খায়রুল বাশার (জুনিয়র কনসালটেন্ট অ্যানেসথেশিয়া), ডা. ফরিদুল ইসলাম (জুনিয়র কনসালটেন্ট সার্জারী), ডা. মজিবুল রহমান (জুনিয়র কনসালটেন্ট শিশু), ডা. লিপিকা দাস (জুনিয়র কনসালটেন্ট গাইনী), ডা. মো. রফিকুল ইসলাম (আরএমও), মেডিকেল অফিসার ডা. কান্তা নারায়ণ চক্রবর্তী, ডা. জহর লাল দাস, ডা. হেদায়েতুল ইসলাম, ডা. মামুনুর রশিদ, ডা. সাইদুর রহমান, ডা. তন্ময় জমশেদ আলম এই হাসপাতালের চিকিৎসক। অর্থাৎ ১৯ চিকিৎসকের পোস্টিং এই হাসপাতালে।
হাসপাতালের একজন চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী বললেন,‘১০-১২ জনের বেশি স্যারকে একদিনে কোনদিন দেখা হয়নি আমার’।
শহরের আরপিন নগরের মনির উদ্দিন বলেন,‘৬-৭ জন বড় ডাক্তার রয়েছেন, যারা সিলেট থেকে আসেন, তাঁরা সপ্তাহে ১-২ দিন আসেন। এসে কোন রোগীও দেখেন না, এই কক্ষে-ঐ কক্ষে বসে সময় কাটিয়ে চলে যান।’
প্রেষণে থাকা ডা. এনামুল হক খানসহ হাসপাতালে ৩ জন শিশু ডাক্তার থাকলেও সোম ও মঙ্গলবার ৩ ঘণ্টা হাসপাতালে অবস্থানের সময় দেখা গেছে শিশু ডাক্তারের চেম্বারে রোগীর ভিড়।
দুইদিনই ১১ থেকে ১ টা পর্যন্ত শিশু ডাক্তারের চেম্বারে ডাক্তার ছিলেন না।
সোমবার বেলা সাড়ে ১১ টায় ডা. এনামুল হক খানের চেম্বারের সামনে থাকা চতুর্থ শ্রেণির এক কর্মচারী বললো, ‘স্যার দোতলায় ওয়ার্ডে আছেন।’ একই চেম্বারের হেদায়তুল ইসলাম মিটিংয়ে রয়েছেন বলে জানিয়ে দেওয়া হয়। মঙ্গলবারও একই সময়ে জানানো হয় ডা. এনামুল হক খান ছুটিতে এবং হেদায়তুল ইসলাম দু’তলায় ওয়ার্ডে আছেন। জুনিয়র কনসালটেন্ট মুজিবুর রহমান কোথায় আছেন, কেউ জানাতে পারেন নি।
চতুর্থ শ্রেণির একজন কর্মচারী সোমবার বললেন, ‘স্যার (মজিবুল রহমান) সপ্তাহে এক-দুইদিন আসেন আজ আসেন নি।’
মঙ্গলবার শহরতলির ফিরোজপুর থেকে দুই শিশু সন্তান তামিম ও হাসানকে ডাক্তার দেখানোর জন্য নিয়ে এসেছিলেন দরিদ্র গৃহবধু নাসরিন আক্তার। বললেন,‘একটি ছেলের ডায়রিয়া এবং আরেকটির সর্দি-কাশি হয়েছে, সকাল ৯ টায় এসে দাঁড়িয়েছি, শিশু ডাক্তার কখন আসবেন, এই তথ্যও জানা যাচ্ছে না। একবার ফিরে যাবার জন্য বেরিয়েছিলাম, কিন্তু বাড়ীতে গেলে স্বামীসহ অন্যরা গালাগালি করবে, হাসপাতালে এসে ডাক্তার দেখাতে পারি না, এই ভয়ে ফিরেছি। এখন সাড়ে ১২ বাজে কতক্ষণ ধৈর্য্য ধরা যায়, বাচ্চারাও কাঁদে, এভাবে কীভাবে চলে ভাই হাসপাতাল।’
একই ধরণের মন্তব্য করলেন শিশু সন্তান সাদিয়াকে কোলে নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা লালপুরের নয়ন তারা, মাইজবাড়ীর তাসলিমা,, গৌরারংয়ের নূর আহমদ, ইকবাল নগরের শামছুন নাহার এবং পাগলার আব্দুল গফ্ফার।
হাসপাতালের প্রধান সহকারী ইকবাল আহমদ জানালেন, ‘আড়াই’শ শয্যা বিশিষ্ট এই হাসপাতালে ডাক্তারের পদ রয়েছে ৫৯ টি, ডাক্তার আছেন ২০ জন। ৩৯ জনের পদ শূন্য। কর্মকর্তা-কর্মচারীর পদ রয়েছে ২৯৩ টি, আছেন ১৬২ জন, শূন্য রয়েছে ১৩১ জনের পদ।
মঙ্গলবার দুপুর ১ টায় আরএমও’র কক্ষে গিয়ে দেখা হয় সিনিয়র কনসালটেন্ট ডা. নুরুল আমিন মিয়ার সঙ্গে। পরিচয় দিয়ে হাসপাতালে আপনার উপস্থিতি নিয়মিত নয়, রোগীরা আপনাকে এসে পায় না কেন? জানতে চাইলে বলেন,‘এখানে এসে কাজ করার পরিবেশ নেই, সিলেট বিভাগে আমি সবচেয়ে সিনিয়র ডেন্টাল কনসালটেন্ট। এখানে আমার বসার কক্ষ নেই। যেদিন আসি যখন- যেখানে পাড়ি বসি।’
একই সময়ে দেখা হয় ইএনটি’র সিনিয়র কনসালটেন্ট ইমাদ হোসেন চৌধুরী’র সঙ্গে। তিনি বলেন,‘আমি কনসালটেন্ট হিসাবে যে সুবিধা পাওয়ার কথা সেটি এখানে নেই। চিকিৎসার যন্ত্রপাতিই নেই। আমি আমার নিজস্ব যন্ত্র দিয়ে যেদিন আসি, চিকিৎসা দেই। সিভিল সার্জন বিষয়টি জানেন।’
হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার মো. রফিকুল ইসলাম বলেন,‘মেডিকেল অফিসার বা এর নীচের পদের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাজের তদারকির দায়িত্ব আমার। কনসালটেন্টদের দেখার দায়িত্ব আমার নয়। তাঁদের বিষয়ে সিভিল সার্জন মহোদয়কে জানানো হয়েছে।’
সিভিল সার্জন ডা. আশুতোষ দাস বলেন,‘যারা অনুপস্থিত থাকেন, তাঁদেরকে বার বার শোকজ করা হয়েছে। যখন শোকজ করা হয়, ঐ সময় কয়েকদিন তাঁরা নিয়মিত আসেন। পরে আবার অনিয়মিত হয়ে পড়েন। আমরা তাঁদের নিয়মিত করার চেষ্টা করছি। তাঁরা প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, নিয়মিত হবেন। বসার সমস্যায় চিকিৎসা দিতে পারছেন না, এটা সত্য নয়। চিকিৎসা দিতে চাইলে, বারান্দায় বসেও দেওয়া যায়। তবে বাসভবন সমস্যা ছোট করে দেখার নয়। বাসভবন থাকলে ভাল হতো।’ তিনি বললেন,‘বিগত অনেক সময়ের চাইতে হাসপাতালে এখন ডাক্তাররা নিয়মিত। কারো কারো অবসরের সময় হয়ে যাওয়ায়, কাজে শৈথিল্যতা এসেছে।’
জেলা সদর হাসপাতালে ডাক্তারদের এমন গড়পরতা উপস্থিতিতেই বুঝা যায় উপজেলা সদরগুলোর অবস্থা আরও করুণ।
তাহিরপুর প্রতিনিধি আমিনুল ইসলাম জানান, এই উপজেলা সদরে চিকিৎসা সেবায় চরম অবহেলা রয়েছে ডাক্তারদের। মঙ্গলবার (২ রা জানুয়ারি) বেলা পৌনে ১২ টায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, হাসপাতালের জরুরী বিভাগসহ আশপাশের বারান্দায় রোগীর ভিড়। অথচ. জরুরী বিভাগসহ কোথাও চিকিৎসক নেই, সবগুলো চেম্বারই শূন্য। সাংবাদিকের উপস্থিতি টের পেয়ে জরুরী বিভাগে এসে উপস্থিত হলেন তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সাব কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার মীর শাহানুর আলম। তিনি তরিগড়ি করে জরুরী বিভাগে অবস্থানরত রোগীদের চিকিৎসা দিতে থাকেন।
তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ইকবাল হোসেন বলেন, ‘ হাসপাতালের কর্মরত চিকিৎসকদের নিয়ে নতুন বছরের শুভেচ্ছা বিবিনিময় করা হচ্ছিল’।
জগন্নাথপুর প্রতিনিধি আলী আহমদ জানান, জগন্নাথপুরের প্রায় দুই লাখ মানুষের একমাত্র স্বাস্থ্য  কেন্দ্রটিতে সেবা পাচ্ছেন না উপজেলাবাসী। কর্মরত ডাক্তারদের বিরুদ্ধে প্রাইভেট চিকিৎসায় ব্যস্ত থাকার অভিযোগ রয়েছে। এ কারণে সাধারণ মানুষ চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
মঙ্গলবার (২রা জানুয়ারি) সকাল ১০ টায় দিকে জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে দেখা যায়, ‘১০ জন চিকিৎসকের মধ্যে ৫ জন চিকিৎসক দায়িত্ব পালন করছেন। অনুপস্থিত ৫ চিকিৎসক হচ্ছেন জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সামস্ উদ্দিন, জুনিয়র কনসালটেন্ট (ডার্মাটোলজী) ডা. পরিমল কুমার সেন, জুনিয়র কনসালটেন্ট (কার্ডিওলজী), ডা. মৃনাল কান্তি দাস, ডা, জামাল উদ্দিন, ডা. সাজ্জাদ হোসেন, ডেন্টাল সার্জন নাজমুল হোসেন মাসুদ। প্রশিক্ষণে রয়েছেন ডা. সাজ্জাদ হোসেন। অপর চিকিৎসরা ছুটিতে রয়েছেন বলে উপস্থিত অন্য ডাক্তাররা জানান। গত ৪ দিন ধরে ছুঠিতে রয়েছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সামস্ উদ্দিন।
ডা. জামিল হোসেন মুঠোফোনে বলেন,‘গত দুই দিন ধরে মেডিকেল সার্ভিক ট্রেনিংয়ে রয়েছি আমি’।  
কয়দিনের ছুটিতে রয়েছেন জানতে চাইলে ডা. পরিমল হোসেন বলেন, ‘ব্যস্ত রয়েছি। পরে কথা বলবো।’  
ডা. মৃনাল কান্তি দাস মুঠোফোনে জানান, তিনি দুইদিনের ছুটিতে রয়েছেন।
অভিযোগ রয়েছে ডা. পরিমল কুমার সেন ও মৃনাল কান্তি দাস সপ্তাহে এক-দুই দিন দায়িত্ব পালন করেন। বাকী দিনগুলো স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অনুপস্থিত থাকেন। অপর দিকে ডেন্টাল সার্জন ডা. নাজমুল ইসলাম মাসুদ যোগদানের পর থেকেই অনিয়মিত।
স্বাস্থ্য কেন্দ্রে আসা দাঁতের রোগে আক্রান্ত বিশ্ব বৈদ্য বলেন, ‘গত কয়েকদিন ধরে স্বাস্থ্য কেন্দ্রে এসেও  ডেন্টাল সার্জনকে পাই নি।’
ডেন্টাল সার্জন ডা. নাজমুল হোসেন মাসুদ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘গত এক মাস ধরে ছুটিতে আছি। ছুটি শেষে কর্মস্থলে যোগদান করবো।’
জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সামস্ উদ্দিনের সঙ্গে কথা বলার জন্য বার বার মুঠোফোনে চেষ্টা করলেও তিনি ফোন ধরেন নি।  
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার মধু সুধন ধর জানান, ‘দুইজন চিকিৎসক ট্রেনিংয়ে রয়েছেন। অন্যরা ছুটিতে রয়েছেন।
দোয়ারাবাজার প্রতিনিধি আশিক মিয়া জানান, দোয়ারাবাজার উপজেলার একমাত্র স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডাক্তাদের অনুপস্থিতির কারণে স্থাস্থ্য সেবা ভেঙে পড়েছে। ডাক্তাররা পালাক্রমে অনুপস্থিত থাকেন। বৃহস্পতিবার (৪ জানুয়ারি) সকাল ১১ টায় হাসপাতালে সরেজমিন গিয়ে দেখা যায় ডাক্তার শুন্য হাসপাতাল ২ টি দরজা খোলা আছে। ৭ জন ডাক্তারের মধ্যে হাসপাতালে উপস্থিত আছেন মাত্র দুইজন। একজন ডাক্তার সৈয়দ মো. আসাদ-উল হক রয়েছেন পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের নিয়োগ পরীক্ষায়।
জানা গেছে হাসপাতালের ডেন্টাল ডাক্তার প্রায় দেড় বছর যাবৎ প্রেসনে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে। স্বাস্থ্য ও প.প কর্মকর্তা পুলিন বিহারী ধরকে কালে-ভদ্রে দোয়ারাবাজার দেখা যায়।
অনুসন্ধানে জানা যায়, সপ্তাহের তিন দিন দুইজন ডাক্তার ডিউটি পালন করেন, আর বাকি দুইজন পরবর্তী তিন দিন ডিউটি পালন করেন। উপজেলা স্বাস্থ্য প.প.কর্মকর্তা পুলিন বিহারী ধরকে ইতি পুর্বে অনুপস্থিতির কারণে সিভিল সার্জন ডাঃ আশুতোষ দাশ ৪ বার শোকজ করেছেন। এরপরও অনিয়মিতই রয়েছেন তিনি।
উপজেলা স্বাস্থ্য প,প কর্মকর্তা পুলিন বিহারী ধর এসব অভিযোগ প্রসঙ্গে বলেন, ‘রোগীর সংখ্যা শীত মৌসুমে আসলে এমনিতেই কম থাকে। আমি বর্তমানে ছুটিতে আছি, আর বাকি দুই জন রয়েছেন ট্রেনিং’এ। অন্যরা হাসপাতালে আছেন।’