ডিটেক্টিং ডিভাইজ না থাকায় মাদক জব্দে কাঙ্খিত সাফল্য নেই -স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সু.খবর ডেস্ক
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, ডিটেক্টিং ডিভাইজ না থাকায় মাদক জব্দের ক্ষেত্রে আকাংখিত সাফল্যে লাভ করা যাচ্ছে না। এ বিষয়ে কার্যকর ফলাফল অর্জনের লক্ষ্যে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর প্রতিটি অফিসের জন্য কমপক্ষে একটি করে ড্রাগ ডিটেক্টিং ডিভাইজ ও মোবাইল ট্রাকার ক্রয় করার জন্য দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে।
স্পীকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে টেবিলে উত্থাপিত প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকার দলীয় সংসদ সদস্য এম আবদুল লতিফের প্রশ্নের
লিখিত জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, মাদকের উৎস মুখ হতে অভিনব কায়দায় পরিবহণের মাধ্যমে দেশের অভ্যন্তরে মাদকের অনুপ্রেবেশকালীন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার কারণে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়েছে।
সরকার দলীয় অপর সংসদ সদস্য দিদারুল আলমের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অপকটে স্বীকার করেন যে, ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত যানবাহন চলাচলের কারণেই ট্রাফিক পুলিশকে ম্যানুয়েল সিগন্যালিংয়ের মাধ্যমে গাড়ি চলাচল নিয়ন্ত্রণ করতে হচ্ছে। তিনি বলেন, বিশ্বব্যাংকের সাহায্যপুষ্ঠ প্রকল্পের অধিনে ঢাকা মহানগরীতে ট্রাফিক সিগন্যাল সম্বলিত সর্বমোট ১০০টি ইন্টারসেকশনের মাধ্যমে ৯২টি ইন্টারসেকশনে অটোমেটিক এবং রিমোর্ট কন্ট্রোলের সমন্বয়ে ট্রাফিক সিগন্যাল লাইন অনুযায়ী যানবাহনের চলাচলের প্রকল্প চলমান রয়েছে।
তিনি জানান, সড়কের ধারণক্ষমতার তুলনায় যানবাহনের সংখ্যা অনেক বেশি। দেশের মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত হচ্ছে এবং সেই সঙ্গে দিনদিন গাড়ির সংখ্যাও বাড়ছে। কিন্তু নগরীর সড়ক সেই তুলনায় বৃদ্ধি পায়নি। যান চলাচল অব্যাহত ও নগরবাসীদেরকে সেবা প্রদানের লক্ষ্যে বাধ্য হয়ে ট্রাফিক পুলিশকে ম্যানুয়েল সিগন্যালিংয়ের মাধ্যমে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে।
মন্ত্রী জানান, তবে অটোমেটিক এবং সেমি অটোমেটিক ট্রাফিক সিগন্যাল পরিচালনা করা যায় এমন আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর ট্রাফিক সিগন্যাল বাতি ব্যবহারের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। পরীক্ষা নিরীক্ষা শেষে সোলার নিয়ন্ত্রিত অটো সিগন্যালগুলো চালু করার মাধ্যমে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে যানবাহন নিয়ন্ত্রণ বন্ধ করে অটোমেটিক এবং সেমি অটোমেটিক ট্রাফিক সিগন্যাল লাইট অনুযায়ী যানবাহন নিয়ন্ত্রণ শুরু করা হবে।
সংসদ সদস্য ওয়ারেসাত হোসেন বেলালের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, বর্তমান সরকার মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। সীমান্ত এলাকায় উভয় দেশের সহযোগিতায় তাৎক্ষণিকভাবে মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনার জন্য বর্ডার লিয়াঁজো অফিস স্থাপনের প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। দেশব্যাপী ইয়াবা ব্যবসায়ীদের তালিকা হালনাগাদ করে সর্বাত্মক নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এছাড়া মাদকের বিচার দ্রুত পরিচালনার জন্য সরকারের পৃথক আদালত গঠন করার পরিকল্পনা রয়েছে।