ড্রেনেজ সিস্টেম আপডেট করার চেষ্টা করছি- নাদের বখ্ত

স্টাফ রিপোর্টার
ভারী বর্ষণে পৌরবাসীর জলাবদ্ধতার কথা স্বীকার করে পৌর মেয়র নাদের বখ্ত বললেন, পৌরসভা ক্রমশই বড় হচ্ছে। মানুষ বাড়ছে। পানি ধারণ ক্ষমতার স্থানও কমে যাচ্ছে। আগের করা ড্রেনগুলো ভারী বৃষ্টি হলে, পানি ধারণ করতে পারছে না। এজন্য নতুন নতুন এলাকায় ড্রেন করার উদ্যোগ নিয়েছি আমরা। মাননীয় পরিকল্পনামন্ত্রী সুনামগঞ্জের কৃতী সন্তান এমএ মান্নান এমপি মহোদেয়ের প্রচেষ্টায় পৌরসভায় ড্রেনেজের জন্য ৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে।
এই ড্রেনগুলোর মধ্যে সরকারি এসসি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে শহীদ আবুল হোসেন সড়ক হয়ে কেন্দ্রীয় গুরস্থানের পাশে থাকা মাস্টার ড্রেনে এনে একটি নতুন ড্রেন মেলাতে চাই। তাতে হাসননগর, শহীদ আবুল হোসেন রোড এবং বাঁধন আবাসিক এলাকার একটি অংশের জলাবদ্ধতা দূর হবে। পশ্চিম নতুনপাড়া থেকে জামতলা হয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস এবং জজ কোর্টের মাঝখানের ছোট্ট সড়ককে সড়ক কাম ড্রেনে উন্নীত করা হবে। পশ্চিম নতুনপাড়া ও জামতলার জলাবদ্ধতা তাতে দূর হবে। কামারখালের ড্রেনের চাপ কমানোর জন্য রায়পাড়ার মুখ থেকে পুরাতন বাসস্টেশন হয়ে কালেক্টরেটের গেটের উল্টোদিকে ইলেকট্রিক সাপ্লাই সড়কের পাশে একটি নতুন ড্রেন গিয়ে মিলবে। তাতে এলাকায় জলাবদ্ধতা কমবে। মোহাম্মদপুর থেকে আলীপাড়া হয়ে বনানীপাড়া’র অ্যাডভোকেট আপ্তাব উদ্দিন সাহেবের বাড়ি’র পাশের কালভার্টে এসে নতুন ড্রেন মিলবে। এটি ওই এলাকার জলাবদ্ধতা দূর হতে কাজে লাগবে। সুনামগঞ্জ সদর থানার পাশ থেকে পুরাতন শিল্পকলা হয়ে কামারখালে এসে একটি ড্রেন সংযুক্ত হবে। বিলপাড়ের পুরাতন ড্রেনকে বর্ধিত করে সরকারি কলেজের সড়ক হয়ে আলীপাড়া’র কালভার্টে যুক্ত করা হবে। এছাড়াও আরো অনেক ছোট ছোট ড্রেন করে আমরা শহরবাসীর কষ্ট দূর করার চেষ্টা করছি।