তাহিরপুরে ভাতিজা ভাতিজিকে কুপিয়েছে চাচা

তাহিরপুর প্রতিনিধি
তাহিরপুরে গাছের আমপাড়াকে কেন্দ্র করে আপন ভাতিজা, ভাতিজি ও ভাতিজার স্ত্রী কে ধারালো দা দিয়ে কুপিয়ে রক্তাক্ত করেছে আপন চাচা। গুরুতর আহত ভাতিজা বাচ্চু মিয়া (৪০), ভাতিজি স্কুল শিক্ষার্থী সাবিনা বেগম (১৩) ও ভাতিজার স্ত্রী পারভিন বেগম (৩০) ৩ জনকে আশংকাজনক অবস্থায় তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় এই ন্যাক্কারজনক ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী সোনাপুর গ্রামে।
জানা যায়, উপজেলার শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী সোনাপুর গ্রামের মৃত. ভাজন আলীর বড় ছেলে খোকা মিয়া ও ছোট ছেলে রুখন মিয়ার মধ্যে বেশ কয়েক বছর ধরে জায়গা সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। কয়েক বছর আগে ছোট ভাই রুখন বড় ভাই খোকা মিয়ার কাছে তার বসত বাড়ী বিক্রি করে অনত্র চলে যায়। শুক্রবার বিকালে রুখনের পরিবারের লোকজন পরিত্যক্ত বাড়ীতে গাছের কাচা আম পাড়তে আসে। খোকা মিয়ার ছেলে মেয়ে গাছের কাচা আম পাড়তে নিষেধ করে। এক পর্যায়ে রুখন বাড়ী থেকে এসে উত্তেজিত হয়ে ধারালো দা দিয়ে কুপিয়ে ভাতিজা, ভাতিজি ও ভাতিজার স্ত্রী কে গুরুতর আহত করে।
খোকা মিয়া জানান, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে খালি বাড়ীতে এসে গাছের কাচা আম পাড়া কে কেন্দ্র করে আমার ছেলে মেয়ে ও ছেলের বউ কে কুপিয়ে রক্তাক্ত করেছে।
তিনি বলেন, রুখনের বাড়ী কয়েক বছর আগে আমার কাছে বিক্রি করে অন্যত্র চলে গেছে। এখন বেশ কিছুদিন ধরে সে আবার এ বাড়ী তার দাবি করে। সে দীর্ঘ ২০ বছর ধরে আমার সঙ্গে শত্রুতা করে আসছে।
শুক্রবার রাত ৯টা ৫০ মিনিটে রুখনের মোবাইল নাম্বারে (০১৭২৪৬৫৫৩২৮) ফোন করলে অপর প্রান্ত থেকে অন্য একজন রিসিভ করে বলে রুখন আহত তাকে নিয়ে সুনামগঞ্জ যাওয়া হচ্ছে।
তাহিরপুর থানার ওসি মো. আতিকুর রহমান এ বিষয়ে বলেন, আহত রোগী নিয়ে থানায় আসছিলো সোনাপুরের লোকজন। পরে দ্রুত তাদের চিকিৎসার জন্য তাহিরপুর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে থানায় মামলার প্রস্ততি চলছে। রুখনকে আটক করার জন্য পুলিশ চেষ্টা করছে।