তাহিরপুরে মন্দিরের জায়গা দখলের অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার, তাহিরপুর
তাহিরপুরে শ্মশানঘাটের কালী মন্দিরের কালী মূর্তি ভাঙচুর করে নদীতে ফেলে মন্দিরের জায়গা দখলের অভিযোগ ওঠেছে। এ ঘটনায় তাহিরপুর উপজেলার শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়নের দুধের আউটা সার্বজনীন শ্মশান ঘাটের সভাপতি নিধান পাল বাদী হয়ে মঙ্গলবার রাতে তাহিরপুর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছে। এ ঘটনাটি তদন্তের জন্য বুধবার দুপুরে তাহিরপুর থানার এসআই মো. আব্দুল মুহিত ঘটনাস্থলে তদন্তে গিয়েছেন। এ ঘটনার প্রতিবাদ করতে গেলে শ্মশানঘাট কালী মন্দির এলাকার দুধের আউটা গ্রামের আসাদ মিয়া ও লুৎফুর মিয়া প্রতিবাদ করলে তাদেরকেও দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ধাওয়া করে এবং গালিগালাজ করে ঘটনাস্থল থেকে তাড়িয়ে দেয়।
শ্মশানঘাট এলাকার বানিয়াগাঁও গ্রামের রঞ্জু সেন বলেন, দুধের আউটা সার্বজনীন শ্মশান ঘাটের স্থানটি বানিয়াগাঁও মৌজার ১৩ নং দাগে অবস্থিত। বর্তমান সেটেলমেন্ট মাঠ জরিপে ৩ একর ২৮ শতক জায়গা দুধের আউটা সার্বজনীন শ্মশান ঘাটের নামে রেকর্ডভূক্ত হয়েছে।
দুধের আউটা গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য লুৎফুর রহমান বলেন, দুধের আউটা সার্বজনীন শ্মশান ঘাটের জায়গা দখল করতে গিয়ে বজলু মিয়া শ্মশানঘাটের কালী মন্দির ভাঙচুর করে নদীতে ফেলে দিয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে বজলু মিয়া বলেন, আমি আমার সরকারী বন্দোবস্তের জায়গাতে অবস্থান করে আছি। আমার বিরুদ্ধে আনীত মন্দির ভাঙ্গার অভিযোগটি সম্পূর্ণ মিথ্যা।
তাহিরপুর থানার এসআই মো. আব্দুল মুহিত বলেন, ঘটনা তদন্তে আমি ঘটনাস্থলে আছি। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কিছু বলা যাবে না।
তাহিরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ নন্দন কান্তি ধর বলেন, ঘটনাটি তদন্তে এসআই আব্দুল মুহিতকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে।