তিনি প্রত্যাহার তবুও ছাড়েননি না কার্যালয়

ধর্মপাশা প্রতিনিধি
প্রত্যাহার হওয়ার এক সপ্তাহ পরেও তিনি ছাড়েননি কার্যালয়। চালিয়ে যাচ্ছেন দাপ্তরিক কার্যক্রম। তাঁর স্থলে দায়িত্বপ্রাপ্ত একজন কর্মকর্তা যোগদানও করে গেছেন। কিন্তু নতুন কর্মকর্তার কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করেননি তিনি। প্রত্যাহার হওয়া কর্মকর্তার  নাম মো. ইসমাইল হোসেন। তিনি ধর্মপাশা উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা।
জানা যায়, মো. ইসমাইল হোসেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা হিসেবে ধর্মপাশায় যোগদানের পর থেকে বিভিন্ন অনিয়মের সাথে জড়িয়ে পড়েন। বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, প্রতিবন্দ্বী ভাতার তালিকায় নাম অন্তর্ভূক্ত করতে নীরিহ মানুষজনের কাছ থেকে সুবিধা নেওয়াসহ নানা অভিযোগ রয়েছে এ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। তাঁর এই অনিয়মের কারণে শুরু থেকেই স্থানীয় জনগণ তাঁকে এখান থেকে বদলীর জন্য দাবি জানিয়ে আসছিলেন। ফলে গত ৫ অক্টোবর তাকে প্রত্যাহার করে সমাজসেবা অধিদপ্তর। পার্শ্ববর্তী তাহিরপুর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তাকে ধর্মপাশা উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়। কিন্তু অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ধর্মপাশা সমাজসেবা কার্যালয়ে আসলেও প্রত্যাহার হওয়া কর্মকর্তা দায়িত্ব হস্তান্তর করেননি।    
তাহিরপুর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. জিলানী জানান, তাঁকে ধর্মপাশা উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনি নিয়ম অনুযায়ী ধর্মপাশা উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে গিয়েছেন তবে মো. ইসমাইল হোসেন তাঁর কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করেননি।  
প্রত্যাহার হওয়া ধর্মপাশা উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. ইসমাইল হোসেন জানান, তাঁকে প্রত্যাহার করে কুড়িগ্রামে বদলি করা হয়েছে। তবে তাঁর পরিবার ঢাকায় থাকার কারণে তিনি এখানেই থাকার চেষ্টা করছেন বলেও জানান তিনি।
জেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা খান মোতাহার হোসেন বলেন, গত ৫ অক্টোবর তাঁকে স্ট্যান্ড রিলিজ (প্রত্যাহার) করা হয়েছে। তিনি (ইসমাইল হোসেন) এখনও দায়িত্ব হস্তান্তর করেননি। দাপ্তরিক কার্যক্রম চালাচ্ছেন কি না জানিনা।’



আরো খবর