তৃষ্ণালু ৫৭

কুমার সৌরভ
এক ফুৎকারে নিভে যায়
৫৭ টি মোমবাতি
কৃষ্ণচূড়ার ৫৭ টি পাঁপড়ি
মিশে পড়ে হাওরের জলে
কীছু পাখি ছিল আমার নিজস্ব
সেখান থেকে ৫৭ নম্বরটি
হারিয়ে গেল আকাশের
কোনো গোপন কুঠরীতে।

এক নদীর যাত্রাপথে কত বাঁক বদল
কখনও ভাঙে বাস্তু
জাগিয়ে তোলে চর,
সেই নদীও শীর্ণ হয়
হাঁটু মোড়ে বসে পড়ে
পাহাড়ের বিপরীত দিকে।

শুকনো বালিয়াড়ি জ্বলে
রোদে অথবা ক্ষোভে
নদীর শোকে কেউ কাঁদে
শুষ্ক পাড়ের ধবল কাশফুলের কাছে বসে।
সেই অশ্রু শোষে বিগত নদীর কায়া।

৫৭ বছর পর সেই বালুচর চিরে
বেরোয় পানির নহর
কেউ একজন এখানে চর বিদীর্ণ
হওয়া জলের ধারায়
এসেছে ভিজাতে গলা।
আগন্তুক বড় বেশি পিপাসার্ত
৫৭ বছরের তেষ্টা কতটা প্রবল
জানে কি নির্জলা নদী?