দিরাইয়ে আ.লীগের সম্মেলনে সংঘর্ষের ঘটনায় গ্রেফতার ৪

দিরাই সংবাদদাতা
সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে সংঘর্ষ ও কেন্দ্রীয় নেতাদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনায় ৪ জন কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শনিবার দিনব্যাপী উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে তাদেরকে আটক করা হয়।
আটককৃতরা হলো— দিরাই উপজেলার তাড়ল গ্রামের আব্দুল মালিক চৌধুরীর ছেলে নুরে আলম চৌধুরী (৫৫), চন্ডিপুর গ্রামের আব্দুল আলেকের ছেলে রহমত আলী (৩৮), ঘাগটিয়া গ্রামের আপ্তাব আলীর ছেলে রায়হান মিয়া (২১) চান্দপুর গ্রামের মৃত গৌরাঙ্গ দাসের ছেলে সঞ্জু দাস (৩৭)।
গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই তপন।
দিরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাইফুল আলম বলেন, দিরাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে সংঘর্ষ ও কেন্দ্রীয় নেতাদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনায় ৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আগামীকাল রবিবার তাদের আদালতে পাঠানো হবে।
দিরাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে সংঘর্ষ ও কেন্দ্রীয় নেতাদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনায় গত বৃহস্পতিবার (১৭ নভেম্বর) দুপুরে সুনামগঞ্জ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সাইয়েদ মাহবুবুল ইসলাম আদালতে দ্রুত বিচার আইনে মামলা হয়। দিরাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ও সাবেক পৌর মেয়র মোশারফ মিয়া সহ ৮১ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন দিরাই উপজেলা ছাত্র লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক কলিম উদ্দিন।
প্রসঙ্গত, দিরাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনের দিন উত্তর গেট দিয়ে সাবেক পৌর মেয়র মোশারফ মিয়ার নেতৃত্বে তার সমর্থকদের মিছিল ঢুকে। মিছিলটি মঞ্চের কাছাকাছি আসতে থাকলে মঞ্চের আশপাশে থাকা নেতা কর্মীরা এসময় মিছিলকারীদের আটকানোর চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে দুইপক্ষে ধাক্কাধাক্কি লাগে। চেয়ার ছোঁড়াছুড়ি ও ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু হয়। মঞ্চ লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকে একপক্ষ। এসময় মঞ্চে থাকা নেতৃবৃন্দ চেয়ার মাথায় ওঠিয়ে নিজেদের রক্ষা করেন। আধাঘণ্টারও বেশি সময় সংঘর্ষ চলাকালে আহত জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি খায়রুল কবির রুমেন ও জেলা যুবলীগের যুগ্ম সম্পাদক আসাদুজ্জামান সেন্টুসহ কমপক্ষে ২০ জন নেতা কর্মী।