দিরাইয়ে মালামালসহ ৭ চোর গ্রেফতার

দিরাই-শাল্লা প্রতিনিধি
সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে জাতীয় জরুরী সেবা‘৯৯৯’ এ কল দিয়ে বেসরকারি মোবাইল অপারেটর গ্রামীণফোন ও বাংলালিংকের টাওয়ার থেকে চুরি হওয়া ৬ লক্ষাধিক টাকার মালামালসহ আন্তজেলা চোর চক্রের ৬ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে দিরাই থানা পুলিশ। গতকাল সোমবার দুপুরে গ্রেফতারকৃত ৬ জনকে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। এদের মধ্যে একজন বাংলালিংক কোম্পানীতে টেকনিশিয়ান পদে কর্মরত বলে জানা গেছে। সোমবার বেলা ১১ টার
দিকে স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের সামনে উদ্ধারকৃত মালামাল ও গ্রেফতারকৃতদের নিয়ে প্রেস বিফ্রিং করেন অফিসার ইনচার্জ কে এম নজরুল। তিনি জানান, দিরাই থানাধীন চরনারচর বাজারস্থ গ্রামীনফোন ও বাংলালিংকের যৌথ সাইড কোড নং- এসওয়াইএল-এক্স-০২৮৮ ও এসএনসিএইচআরআই এর কন্ট্রোল রুম থেকে জাতীয় জরুরী সেবা ৯৯৯ এ কল দিয়ে জানান যে, এই টাওয়ারগুলোর মালামাল চুরি হয়েছে। ‘৯৯৯’ অফিসার তাৎক্ষণিক আমাকে বিষয়টি অবগত করলে আমরা অভিযানে নামি। রবিবার (৮ মার্চ) ভোররাত দিরাই শ্যামারচর সড়কের মাদানী মহল্লা এলাকা থেকে চোরাইকৃত মালামাল ও চুরির কাজে ব্যবহৃত একটি পিকআপ ভ্যানসহ ৫ জনকে গ্রেফতার করতে সমর্থ হই। তারা হলো শ্রীপুর থানার চৌগাছি গ্রামের কাজী গোলাম সারোয়ারের পুত্র কাজী আলম হোসেন হেলাল (৩২), মাগুড়া সদর উপজেলার জাগলা গ্রামের লুৎফুর রহমানের পুত্র মো. মাহবুব হোসেন, একই গ্রামের তোতা মিয়া পুত্র রানা ইসলাম (৩০), খুলনা সদর উপজেলার মোল্লাপাড়া গ্রামের মৃত আতাহুর আলী খানের পুত্র পিকআপ চালক মো. মুসা খান, সিলেট জেলার জৈন্তাপুর থানার সারিঘাট ডাউকি গ্রামের নাজিম উদ্দিনের পুত্র মো. দিলদার আহমেদ। এদের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত বাংলালিংকের টেশনিশিয়ান পদে কর্মরত নওগা জেলার পতœীতলা থানার জামগ্রাম গ্রামের নুরুল ইসলামের পুত্র গোলাম নবী (৩২) কে সিলেট থেকে গভীর রাতে গ্রেফতার করা হয়। এঘটনায় অরিয়ন সিকিউরিটি সার্ভিস লিমিটেডের এরিয়া ইনচার্জ আব্দুল রাজ্জাক বাদী হয়ে দিরাই থানায় মামলা দায়ের করেছেন। তিনি জানান, গ্রেফতারকৃতরা পুর্বে কোম্পানীগুলোর অধীনে কাজ করার সুবাদে সহজেই চুরির কৌশল রপ্ত করেছে। তারা একটি চক্র গঠন করে সারাদেশের বিভিন্ন স্থানে হানা দিয়ে মুল্যবান যন্ত্রপাতি চুরি করে আসছিলো।