দুই দেশের সৌভ্রাতৃত্ব প্রতিষ্ঠার স্থান বর্ডার হাট

স্টাফ রিপোর্টার
সদর উপজেলার জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নের ডলুরা-বালাট সীমান্তের বর্ডার হাটের ক্রেতা-বিক্রেতাদের মধ্যে কার্ড বিতরণ করা হয়েছে। সোমবার দুপুরে জেলা প্রশাসক’এর সম্মেলন এই কার্ড বিতরণ করা হয়।
এসময় বর্ডার হাটের ক্রেতা-বিক্রেতা, জনপ্রতিনিধি ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এই উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ। বক্তব্য রাখেন, ২৮ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়ান (বিজিবি)’র অধিনায়ক লে. কর্ণেল মাকসুদুল আলম, অতিরিক্ত জেলা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোখলেছুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) হারুন অর রশীদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হায়াতুন নবী, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইয়াছমিন নাহার রুমা প্রমুখ।
এসময় ২০১৯-২০২১ সালের জন্য বিক্রেতা হিসেবে ২৫ জন ও ক্রেতা হিসেবে ৫৫০ জন ব্যক্তির মাঝে কার্ড প্রদান করা হয়।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ বলেন, সরকার কর্তৃক নির্ধারিত পণ্য ক্রয়-বিক্রয় করবেন এবং মেয়াদ উত্তীর্ন কোন পণ্য ক্রয়-বিক্রয় করবেন না। বর্ডার হাট হচ্ছে বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব্যপূর্ণ সর্ম্পক বজায় রাখার গুরুত্বপূর্ণ জায়গা। দু’দেশের বাণিজ্য ভারসাম্য রক্ষায় ক্রেতা-বিক্রেতাদের গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখতে হবে।
তিনি ক্রেতা/বিক্রেতাকে হুশিয়ারি দিয়ে বলেন,‘যারা এই বর্ডার হাটে ব্যবসা করার জন্য কার্ড নিয়েছেন, তারা যদি এই কার্ড অন্য কারো কাছে টাকার বিনিময়ে বিক্রি করেন বা কার্ড আরেক জনকে হস্তান্তর করেন তাহলে বিনা নোটিশে কার্ডটি বাতিল করা হবে ।
২৮ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়ান (বিজিবি)’র অধিনায়ক লে. কর্ণেল মাকসুদুল আলম বলেন, বর্ডার হাটে যারা ক্রেতা/
বিক্রেতারা আছে আপনাদের প্রতি অনুরোধ থাকবে আপনারা আপনাদের কার্ডের মধ্যে ১৬ হাজার টাকার পণ্য কিনতে পারবেন। কিন্তু এই কার্ড টাকার বিনিময়ে বিক্রি করতে পারবেন না। এই কার্ডটা যার নামে দেয়া আছে, তার কাছে থাকতে হবে। না হয় বর্ডার হাটে পণ্য ক্রয় বিক্রয় করতে পারবেন না। আমাদের বিজিবি এই বিষয়ে সতর্ক থাকবে।