দুর্নীতির আখড়া দ. সুনামগঞ্জ সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

দক্ষিণ সুনামগঞ্জ অফিস
হয়রানির অপর নাম দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিস। কিছু অসাধু কর্মকর্তা কর্মচারী ঘুষের আখড়ায় পরিণত করছে অফিসটিকে। দলিল রেজিস্ট্রি করার নামে সহজ সরল মানুষের কাছ থেকে অফিস (আমলাফির নামে) লাখ লাখ টাকা ঘুষ বাণিজ্য করার অভিযোগ রয়েছে। সেই সাথে সরকার নির্ধারিত ফি (কোন মৌজার কত টাকা ফি) সম্বলিত সিটিজেন চার্টার নেই এ অফিসে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ সিটিজেন চার্টার না থাকায়, একটি চক্র সাব-রেজিস্ট্রারের সহযোগিতায় সরকার নির্ধারিত ফির চেয়ে অনেক গুণ বেশি টাকা দলিল গ্রহিতাদের কাছ থেকে আদায় করছে।
সরেজমিনে সোমবার দুপুরে দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে গিয়ে দেখা যায়, অফিসের কোথাও কোন সিটিজেন চার্টার নেই। অফিসও ফাঁকা। দু’একজন দলিল লিখক, অফিসের সহকারী ও পিওন ছাড়া আর কাউকে দেখা যায়নি।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সাব-রেজিস্ট্রার খায়রুল বাশার পাভেল প্রতি সপ্তাহের বুধবার অফিসে আসেন।
দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আতাউর রহমান জানান, প্রতিটি সেবাদানকারী অফিসেই সিটিজেন চার্টার থাকে। কিন্তু আমাদের দক্ষিণ সুনামগঞ্জ সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে বিলবোর্ড আকারে কোন সিটিজেন চার্টার নাই। সিটিজেন চার্টার না থাকায় জমি ক্রেতা বা বিক্রেতারা জানেন না কোন মৌজায় প্রতি শতাংশ জমির রেজিস্ট্রেশন ফি কত টাকা। একটি চক্র বিভিন্ন ভাবে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করে অসৎ উদ্দেশ্য হাসিল করছে প্রতিনিয়ত।
সাব-রেজিস্ট্রার খায়রুল বাশার পাভেল ভূঞা বলেন, আপনি আমার পার্সোনাল নাম্বারে ফোন দেওয়ার পার্মিশন পেলেন কোথায়? সরকার যে দিন নাম্বার দেবে তখন আমাকে ফোন দিবেন, আপনি আমাকে বা আমার বিষয়ে জানেন না। আমি আপনার বিরুদ্ধে আইসিটি আইনে মামলা করবো, এই কথা বলে তিনি মোবাইল ফোন কেটে দেন।