দেশ এখন উন্নয়নের মহাসড়কে -খন্দকার মোশাররফ হোসেন

আমিনুল ইসলাম ও এমএ রাজ্জাক
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, ‘বর্তমান সরকার উন্নয়নের সরকার। দেশের সকল ক্ষেত্রেই উন্নয়নের জোয়ার বইছে। দেশ এখন উন্নয়নের মহাসড়কে দাড়িয়েছে।’
তিনি বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘জনগণের সাথে যারা লুকোচুরি করে তাদেরকে কি ভোট দেওয়া যায়? তাদের কাজ শুধু বাঁধা সৃষ্টি করা। এ সরকার হাওরাঞ্চলের জন্য ১৩ শত কোটি টাকা প্রকল্প হাতে নিয়েছে। সরকারের উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখতে আবারও ভোটের মাধ্যমে বিজয়ী করে দেখিয়ে দেন বাংলাদেশের জনগণ আওয়ামী লীগ সরকারকে চায় এবং কতটা ভালবাসে। ’
মন্ত্রী আরও বলেন, ‘খালেদা জিয়াকে কারাদ- এই সরকার দেয়নি, মামলাও দেয়নি সরকার। ১৫ বছর ধরে এই মামলা চলছে। মামলা নিয়ে হাইকোর্টে গেছেন। যত ধরনের পদ্ধতি আছে সব ব্যবহার করার পর ওপেন কোর্টে বিচার হয়েছে। আদালতের রায় মোতাবেক তাঁর সাজা হয়েছে। পৃথিবীর সকল দেশে সাজাপ্রাপ্ত আসামি যেভাবে থাকে, উনি তো তার ব্যতিক্রম হতে পারেন না।’
বৃহস্পতিবার দুপুরে যাদুকাটা নদীর উপর ৭৫০ মিটার শাহ আরেফিন-অদ্বৈত মৈত্রী সেতু ও ডাম্পের বাজার পাটলাই নদীর উপর ৪৫০ মিটার সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর ও কলাগাঁও ছড়া, লাকমা ছড়া ও রঙ্গাছড়া সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
মন্ত্রী আরও বলেন, ‘বিএনপির মহাসচিব যদি তাঁর নেত্রীকে মুক্ত করতে চান তবে আদালতের মাধ্যমেই তাঁকে মুক্ত করতে হবে। সরকারের কোন ক্ষমতা নেই তাকে মুক্ত করে দেয়ার।’
এ প্রসঙ্গে মন্ত্রী আরও বলেন, ‘একমাত্র মহামান্য রাষ্ট্রপতির অধিকার আছে বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়াকে ক্ষমা করে দেয়ার। বেগম খালেদা জিয়া যদি উনার দোষ স্বীকার করে ক্ষমা প্রার্থনা করেন রাষ্ট্রপতি হয়তো তাঁর সাজা মওকুফ করতে পারেন, কিন্তু অপরাধ মাফ করতে পারবেন না। এটা বিএনপিও জানে যে আদালত ছাড়া কারো সাধ্য নেই খালেদা জিয়াকে জেল থেকে বের করে আনার।’
তাহিরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপত্বি আবুল হোসেন খানের সভাপতিত্বে এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম ও সাংগঠনিক সম্পাদক আলমগীর খোকনের যৌথ সঞ্চালনায় সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, সংসদ সদস্য মহিবুর রহমান মানিক, সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোয়াজ্জেম হোসেন রতন, জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য মতিউর রহমান, সংসদ সদস্য ড. জয়া সেনগুপ্তা, সংসদ সদস্য অ্যাড. পীর ফজলুর রহমান মিসবাহ, সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য অ্যাড. শামছুন্নাহার বেগম শাহানা রব্বানী, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. জাফর আহমেদ খান, এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী আবুল কালাম আজাদ, জেলা আওয়ামী লীগের কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক করুনা সিন্ধু চৌধুরী বাবুল, তাহিরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অমল কান্তি কর, বাদাঘাট ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন, তাহিরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি আলখাছ উদ্দিন খন্দকার, ধর্মপাশা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শামীম আহমদ বিলকিছ, জেলা শ্রমিক লীগের আহবায়ক সেলিম আহমদ, উপজেলা যুব লীগের আহবায়ক হাফিজ উদ্দিন, উত্তর বড়দল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি জামাল উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম, উপজেলা শ্রমিক লীগের যুগ্ম আহবায়ক মতিউর রহমান, মনধীর রায় প্রমুখ।



আরো খবর