দোয়ারায় ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ

দোয়ারাবাজার প্রতিনিধি
দোয়ারাবাজার উপজেলার সুরমা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান খন্দকার মামুনুর রশিদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার রাতে ইজারাদার আব্দুল মান্নান বাদী হয়ে খাসিয়ামারা নদীর বালু মহালে চাঁদা দাবি, বালু উত্তোলন বন্ধ করে দেয়া এবং শ্রমিকদের মারধরের অভিযোগে ইউপি চেয়ারম্যান খন্দকার মামুনুর রশিদ, তার চাচা আবুল কালাম ও হাবিব মিয়া সহ অজ্ঞাতনামা আরো ১৫/২০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে।
জানা যায়, খাসিয়ামারা নদীর বালু মহাল ১৪২৫ বাংলা সনের জন্য জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে এক বছরের ইজারা নেন সুনামগঞ্জ পৌরসভার নতুন পাড়া এলাকার বাসিন্দা মেসার্স রিফাত এন্টারপ্রাইজের প্রো. মো. আ. মান্নান। অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন উপজেলার সুরমা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান খন্দকার মামুনুর রশিদ, তার চাচা আবুল কালাম ও তাদের সহযোগী মিরপুর গ্রামের হবিব মিয়া সহ ১৫/২০ জন মিলে তাদের কাছে বালু ভর্তি প্রতি নৌকায় ২ শত টাকা করে চাঁদা দাবি করেন, অন্যথায় বালু উত্তোলন বন্ধ করে দেওয়ার হুমকী দেয়। ইজারাদারের টুল আদায়কারীর সাথে প্রতিদিন খাসিয়ামারা নদীতে বালু উত্তোলনে বাধা দেয় এবং নদীতে এসে বালু উত্তোলনকারীদের মারপিট করে বালু উত্তোলন বন্ধ করে দেয়।
গত বৃহস্পতিবার সকালে চেয়ারম্যান মামুনুর রশিদের নেতৃত্বে একদল লোক চাঁদা দাবি করেন এবং ১৫/২০ জনের লাঠিয়াল বাহিনী একই ইউনিয়নের সোনাপুর গ্রামের মখলিছ মিয়া, সুনামগঞ্জ সদর থানার বিরামপুর গ্রামের সাহাব উদ্দিন, আন্জব আলী ও হেলাল মিয়াকে মারধর করে।
ঘটনার পর বৃহস্পতিবার রাতে ইজারাদার আব্দুল মান্নান বাদী হয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগ এনে দোয়ারাবাজার থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। দোয়ারা থানার মামলা নং- ৭ তারিখ- ৭.৬.১৮ ইং।
অভিযুক্ত সুরমা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মামুনুর রশিদ তার উপর আনা অভিযোগটি অস্বীকার করেন।
দোয়ারাবাজার থানার ওসি তদন্ত মো. বেলায়েত হোসেন বলেন, ‘চাঁদাবাজির অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।’