দোয়ারায় বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটার পরিবর্তনের নামে দুর্নীতি

দোয়ারাবাজার প্রতিনিধি
দোয়ারাবাজার উপজেলার প্রিপেইড (প্রিপেইড কার্ড) মিটার স্থাপনের নামে দুর্নীতি করছে এক শ্রেণীর অসাধু কর্মকর্তা কর্মচারী। গত এক মাস ধরে দোয়ারাবাজার উপজেলায় প্রতিটি গ্রামে গ্রাহকদের বাড়িতে ডিজিটাল প্রিপেইড মিটারের বদলে ডিজিটাল কার্ড মিটার স্থাপনে গ্রাহদের ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। উপজেলার বোগলাবাজার ইউনিয়নের আছির নগর, কান্দাগাঁও, তেরাকুড়ি, কবিরনগর এই চার গ্রামে গত এক বছরে ধরে প্রায় শতাধিক বাড়িতে মিটার লাগনো হয়। এর মধ্যে ২০ থেকে ২৫ টি মিটারের বৈধ কাগজ পত্র রয়েছে বলে        
জানা গেছে। আর বাকি সব বিল মিটারের কাগজ হবে হচ্ছে বলে দিন ক্ষণ পার করছে কান্দাগাঁও গ্রামের ইলেকট্রিশিয়ান রমজান আলী, রুবেল মিয়া ও মোহাম্মদ আলী। এই চারটি গ্রামে বিদ্যুৎ আসার পর থেকে প্রত্যেক বাড়িতে যে মিটার লাগানো ছিল সে সব মিটারে ১২ শত ইউনিট থেকে ৮ শত ৬ শত ইউনিট বকেয়া ছিল। এসব মিটারে ৩০ থেকে ৪০ হাজার ইউনিটের বিল সরকারী খাতে জমা না দিয়ে রমজান আলী এবং বিদ্যুৎ অফিসের কিছু অসাধু কর্মচারী তাদের পকেটে ঢুকিয়ে নিচ্ছেন। এসব দুর্নীতির সাথে ছাতক বিদ্যুৎ অফিসের দায়িত্বশীল অসাধু কর্মকর্তা কর্মচারীরা জড়িত আছে বলে জানা গেছে।
ছাতক বিদ্যুৎ অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী এম এ হেলাল উদ্দিন বলেন, ‘কান্দাগাঁও সহ চারটি গ্রামের ৮ টি বিদ্যুৎ মিটার জমা হয়েছে। এসব মিটারের রিডিং অনুযায়ী প্রত্যেককে বিল প্রদান করা হবে। আর বাকি সব মিটার জমা দেয়ার জন্য বলা হয়েছে।’
সিলেট বিদ্যুৎ অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী রতন কুমার পাল বলেন, ‘যে সব এলাকায় বিদ্যুৎ মিটার পরিবর্তনের নামে সরকারী টাকা আত্মসাত করছে তাদের বিরুদ্ধে তদন্তপুর্বক ব্যবস্থা নেয়া হবে।’