দোয়ারায় ভিজিএফের টাকা ও চাল আত্মসাতের অভিযোগ

আশিক মিয়া, দোয়ারাবাজার
দোয়ারাবাজার উপজেলা সদর ইউনিয়নের ইউপি সদস্য রাখালকান্দি গ্রামের হোসেন আলীর বিরুদ্ধে ভিজিএফ’র টাকা ও চাল আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে অভিযোগ করেছেন একই গ্রামের ১০৬৯ নং কার্ডধারী মুক্তার আলী স্ত্রী ছালেহা খাতুন, ১০৪৫ নং কার্ডধারী সুরাপ মিয়ার স্ত্রী রাবিয়া খাতুন, ১১২৪ নং কার্ডধারী সিদ্দিক মিয়ার পুত্র বাচ্চু মিয়া।
জানা যায়, গত বছরের অকাল বন্যায় বোর ফসল তলিয়ে যাওয়ায় পর গত বছরের ২২এপ্রিল থেকে ১১মাস যাবৎ টাকা ও চাল দেয়া হচ্ছে কার্ডধারীদে । কিন্তু ঐ কার্ড ধারীরা কেউই জানেনা তাদের নাম তালিকাভূক্ত করা হয়েছে।
এব্যাপারে বাচ্চু মিয়া বলেন, ‘গত বছর যখন তালিকা করা হবে তখন আমার কাছ থেকে তিন কপি ছবি ও ভোটার আইডি কার্ডের ফটো কপি নেন মেম্বার সাহেব। কিন্ত এর পর থেকে আমাকে তিনি আর কিছুই জানাননি। গত বছর যখন টাকা ও চাউল বিতরণ করা হচ্ছে তখন আমি মেম্বার সাহেব কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি আমাকে বলেন নাম তালিকায় আসে নাই। গত মাসে আমার গ্রামের একজন বলে যে আমার নাম তালিকায় দেখে এসেছে। পরে আমি খোঁজ খবর নিয়ে দেখি আমার নামে মেম্বার সাহেব চাউল ও টাকা তুলে আত্মসাত করেছেন। আমি সরকারের কাছে এর সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।’
ইউপি সদস্য হোসেন আলী বলেন, ‘যারা অভিযোগ করেছেন তাদের নাম তালিকায় ছিল কিনা আমি জানিনা। তারা কেন পায় না এ ব্যাপারেও আমি কিছু জানিনা। আমি কোন চাউল ও টাকা আত্মসাত করিনি।’
দোয়ারাবাজার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী মহুয়া মমতাজ বলেন, ‘একজন ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে ভিজিএফ এর চাউল ও টাকা আত্মসাতের অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগের বিষয়ে তদন্তপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।’