ধর্মপাশায় এক কক্ষ পরিদর্শককে অব্যাহতি

ধর্মপাশা প্রতিনিধি
ধর্মপাশায় দাখিল পরীক্ষায় মঞ্জুরুল হক নামের এক কক্ষ পরিদর্শকের বিরুদ্ধে ছয়জন পরীক্ষার্থীর উত্তরপত্রে লিখিত উত্তরের ক্রমিক নম্বর পরিবর্তনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। মঞ্জুরুল হক খয়েরদিরচর আলিম মাদ্রাসার সহকারি শিক্ষক। এ ঘটনায় ওই শিক্ষককে পরীক্ষা সংক্রান্ত সকল দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
জানা যায়, উপজেলার খয়েরদিচর আলিম মাদ্রাসা কেন্দ্রে মহিষখলা দাখিলা মাদ্রাসার দাখিল পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।  গত বৃহস্পতিবার বাংলা ২য় পত্র পরীক্ষা চলাকালে ৩ নম্বর কক্ষে মহিষখলা দাখিল মাদ্রাসার ছয়জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষা শেষ হওয়ার নির্ধারিত সময়ের কিছু আগে কক্ষ পরিদর্শক মঞ্জুরুল হকের কাছে উত্তরপত্র জমা দেয়। কক্ষ পরিদর্শক পরীক্ষার্থীদের উত্তরপত্রে লিখিত প্রশ্নের উত্তরের ক্রমিক পরিবর্তন করতে থাকলে বিষয়টি একজন পরীক্ষার্থীর নজরে আসে। ওই পরীক্ষার্থী বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে মহিষখলা দাখিল মাদ্রাসার সহকারি শিক্ষক ও ১নম্বর কক্ষের পরিদর্শক জালাল উদ্দিন এবং কেন্দ্র সচিব সামছুল আলম সিদ্দকীকে জানান।  পরে কেন্দ্র সচিব উত্তরপত্রের ক্রমিক নম্বর পরিবর্তন করার বিষয়টির সত্যতা পান। এ সময় ওই ছয়জন পরীক্ষার্থীর উপস্থিতিতে তাদের কে নিয়ে উত্তরপত্রের ক্রমিক নম্বর সংশোধন করা হয়। ওইদিন সন্ধ্যায় মঞ্জুরুল হকের বিরুদ্ধে মহিষখলা দাখিল মাদ্রাসার তত্ত্বাবধায়ক  মো. আবদুল আজিজ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে এ ব্যাপারে লিখিত অভিযোগ করেন। এ ঘটনায় ওই শিক্ষককে পরীক্ষা সংক্রান্ত সকল দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন মো. আবদুল আজিজ।
অভিযুক্ত সহকারি শিক্ষক মঞ্জুরুল হক দাবি করেছেন, তিনি কোনো পরীক্ষার্থীর উত্তরপত্রের ক্রমিক নম্বর পরিবর্তন করেননি। কিভাবে এমনটি হয়েছে তা তিনি জানেন না।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো.মামুন খন্দকার বলেন, ‘অভিযোগের প্রেক্ষিতে এ ঘটনায় তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’