ধর্মপাশায় মুজিবনগর দিবস পালনেও আ.লীগের বিভক্তি

স্টাফ রিপোর্টার
ধর্মপাশায় মুজিবনগর দিবস পৃথক পৃথকভাবে পালন করলো আওয়ামী লীগ। মঙ্গলবার বিকেলে স্থানীয় এমপি মোয়াজ্জেম হোসেন রতন সমর্থিত নেতাকর্মীরা উপজেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে ও ধর্মপাশা উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আলমগীর কবির সমর্থিত নেতাকর্মীরা জনতা মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাকক্ষে আলোচনা সভা করেছেন।
জনতা উচ্চ বিদ্যালয় মিলনায়তনের আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন- উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি রফিকুল হাসান চৌধুরী। এই সভায় বক্তব্য রাখেন- সুনামগঞ্জ-১ আসনের আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী সাবেক সংসদ সদস্য সৈয়দ রফিকুল হক সোহেল, কেন্দ্রীয় কৃষক লীগের মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট শামীমা শাহরিয়ার, বিনয় ভূষণ তালুকদার, জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি রেজাউল করিম শামীম ও ড. রফিকুল ইসলাম তালুকদার উপস্থিত ছিলেন।
দলীয় কার্যালয়ের আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মনিন্দ্র চন্দ্র তালুকদার। বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শামীম আহমদ বিলকিস। সংগঠনের নেতা শামীম আহমদ মুরাদ, নাজিম উদ্দিন আল আজাদ, মুক্তিযোদ্ধা রুহুল আমিন তালুকদার প্রমুখ।
উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আলমগীর বলেন,‘স্কুলের মিলনায়তনের অনুমতি নিয়ে মুজিবনগর দিবসের আলোচনা সভা করা হয়েছে। ওখানে শত শত নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন। দলীয় কার্যালয়ে ২০-২৫ জন নেতা-কর্মী নিয়ে সংসদ সদস্যের সমর্থকরা আলোচনা সভা করেছেন।’
মোয়াজ্জেম হোসেন রতনের সমর্থক উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শামীম আহমেদ বিলকিস বলেন, ‘স্কুলের ভেতরে যেখানে ৫ মনোনয়ন প্রত্যাশী সভা করেছেন ওখানে ৪০-৫০ জনের বেশি স্থান হয় না। আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে ৩০০ চেয়ার রয়েছে। এই আলোচনা সভায় দল ও অঙ্গসংগঠনের দায়িত্বশীল সকলেই উপস্থিত ছিলেন।’
উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি স্থানীয় সংসদ সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেন রতন ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আলমগীর কবিরের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ রয়েছে। গত ২৭ মার্চ জনতা মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের খেলার মাঠে ক্যান্টিন নির্মাণ নিয়ে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ধর্মপাশা উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আলমগীর কবির ও উপজেলা সভাপতি এমপি মোয়াজ্জেম হোসেন রতনের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষও হয়েছে।



আরো খবর