নতুন করে আক্রান্ত ১০ জন, আরোগ্য লাভ করেছেন ১৬ জন

স্টাফ রিপোর্টার
সুনামগঞ্জ জেলায় নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন ১০ জন। রবিবার সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পিসিআর ল্যাবে নমুনা পরীক্ষায় এই ১০ জন শনাক্ত হন। নতুন করে করোনা আক্রান্তদের মধ্যে রয়েছেন সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার ৮ জন, দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার ১ জন এবং বিশ^ম্ভরপুর উপজেলায় ১ জন।
এনিয়ে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা পৌঁছালো ৯৯২ জনে। করোনা আক্রান্ত শনাক্তে সবার উপরে রয়েছে ছাতক উপজেলা। আক্রান্ত হয়েছেন ২৬১ জন। এছাড়াও সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার ২৫৫ জন, দোয়ারাবাজার উপজেলা থেকে ৯২ জন, দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলা থেকে ৭১ জন, শাল্লা উপজেলা থেকে ৩৬ জন, জগন্নাথপুর উপজেলার ৮৪ জন, দিরাই উপজেলা থেকে ৩৭ জন, ছাতক উপজেলার ১৯ জন, জামালগঞ্জ উপজেলা থেকে ৬৪ জন, বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা থেকে ৩৬ জন, তাহিরপুর উপজেলা থেকে ৩৭ জন, ধর্মপাশা উপজেলা থেকে ১৯ জন।
এদিকে মঙ্গলবার নতুন করে আরোগ্য লাভ করেছেন ১৬ জন। এরমধ্যে বিশ^ম্ভরপুর উপজেলায় ৪ জন, সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার ৪ জন, দোয়ারাবাজার উপজেলা থেকে ২ জন, জগন্নাথপুর উপজেলার ২ জন, দিরাই উপজেলা থেকে ৩ জন, তাহিরপুর উপজেলা থেকে ১ জন। এ পর্যন্ত আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৪১১ জন। এরমধ্যে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার ৬৮ জন, ছাতক উপজেলার ৯২ জন, দোয়ারাবাজার উপজেলা থেকে ৫৪ জন, দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলা থেকে ৩০ জন, শাল্লা উপজেলা থেকে ১৭ জন, জগন্নাথপুর উপজেলার ৪৫ জন, দিরাই উপজেলা থেকে ১৫ জন, ছাতক উপজেলার ১৯ জন, জামালগঞ্জ উপজেলা থেকে ২৭ জন, বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা থেকে ২৭ জন, তাহিরপুর উপজেলা থেকে ১৮ জন, ধর্মপাশা উপজেলা থেকে ১৮ জন।
এ পর্যন্ত করোনাভাইরাসে মৃত্যু হয়েছে ৬ জনের। এরমধ্যে ৩ জন ছাতক উপজেলার, একজন করে মারা গেছেন জামালগঞ্জ, তাহিরপুর ও দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলায়।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার বাড়িতে কোয়ারেন্টাইনে গেছেন ১০ জন, প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে গেছেন ১ জন, আইসোলেসনে গেছেন ১০ জন, কোয়ারেন্টাইন/আইসোলেসন থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৩৪ জন।
এ পর্যন্ত সুনামগঞ্জ জেলায় ৬ হাজার ৪৩ জনকে হোম কেয়ারেন্টাইনের আওতায় আনা হয়। কোয়ারেন্টাইন/আইসোলেসন থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয় ৬ হাজার ১৫৭ জনকে। এ ছাড়া করোনা সন্দেহে এ পর্যন্ত ৯৮২ জনকে আইসোলেশনে আনা হয়েছে। করোনা সন্দেহে এ পর্যন্ত ৮ হাজার ৬৩০ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। পরীক্ষা করা হয়েছে ৮ হাজার ২১৩ জনের।