নতুন করে হোম কোয়ারেন্টাইনে ৬৫ জন

স্টাফ রিপোর্টার
সুনামগঞ্জে নতুন করে হোম কোয়ারেন্টাইনে গেছেন ৬৫ জন। কোয়ারেন্টাইন থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ১৭ জন। বর্তমানে কোয়ারেন্টাইনে আছেন ৪০২ জন। আইসোলেসনে গেছেন ৬ জন এবং প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইন থেকে ১ জনকে মুক্তি দেয়া হয়েছে। এছাড়াও বিদেশ থেকে আরো ২ জন প্রবাসী সুনামগঞ্জে এসেছেন। কোভিড ১৯ পরিস্থিতি নিয়ে বৃহস্পতিবার জেলা প্রশাসনের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানা যায়, অদ্যাবদি মোট কোয়ারেন্টিনে এসেছেন ৫০৬৬ জন। পাশাপাশি কোয়ারেন্টিন সম্পন্ন করেছেন ৪৬৬৪ জন। এখন পর্যন্ত সুনামগঞ্জ জেলায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১১৪ জন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৫৯ জন। বর্তমানে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে আছেন ১০ জন এবং আইসোলেসনে আছেন ৫৪ জন।

গত ১ মার্চ থেকে বিদেশ থেকে জেলায় এসেছেন ২৫১৬ জন। এদিকে করোনাভাইরাস শনাক্তে সুনামগঞ্জে ২ হাজার ৬১৪টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয়েছে ২ হাজার ১৪৩টি নমুনা। সবচেয়ে বেশী ৪০৯ টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা থেকে। এরমধ্যে রিপোর্ট পাওয়া গেছে ৩৫৬ জনের।

এছাড়াও দক্ষিণ সুনামগঞ্জে ১২৬ জনের নমুনা সংগ্রহ করে ৯০ জনের, দিরাই উপজেলায় ২০৮ জনের নমুনা সংগ্রহ করে ১৭১ জনের, শাল্লা উপজেলায় ১৫৭ জনের নমুনা সংগ্রহ করে ১৩০ জনের, বিশ^ম্ভরপুর উপজেলায় ২১৭ জনের নমুনা সংগ্রহ করে ১৮৫ জনের, তাহিরপুর উপজেলায় ১৬৭ জনের নমুনা সংগ্রহ করে ১২৫ জনের, জামালগঞ্জ উপজেলায় ২১২ জনের নমুনা সংগ্রহ করে ১৯৪ জনের, ধর্মপাশা উপজেলায় ২২৮ জনের নমুনা সংগ্রহ করে ১৯৭ জনের, দোয়ারাবাজার উপজেলায় ৩১০ জনের নমুনা সংগ্রহ করে ২২৮ জনের, ছাতক উপজেলায় ৩৯৩ জনের নমুনা সংগ্রহ করে ৩১১ জনের, জগন্নাথপুর উপজেলায় ১৮৭ জনের নমুনা সংগ্রহ করে ১৫৬ জনের রিপোর্ট পাওয়া গেছে।

এরমধ্যে ১১৪ জনের শরীরে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। এরমধ্যে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলায় ১৬ জন, দিরাই উপজেলায় ৭ জন, দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলায় ১২ জন, ছাতক উপজেলায় ১৬ জন, জগন্নাথপুর উপজেলায় ৬ জন, দোয়ারাবাজার উপজেলায় ৯ জন, শাল্লা উপজেলায় ৯ জন, জামালগঞ্জ উপজেলায় ৪ জন, বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় ৬ জন, ধর্মপাশা উপজেলায় ১৬ জন, তাহিরপুর উপজেলায় ১৩ জন।

জেলায় আইসোলেসনে আছেন ৫৪ জন। এরমধ্যে সুনামগঞ্জ সদর ও হাসপাতালে ১৩ জন, দক্ষিণ সুনামগঞ্জে ৫ জন, দিরাই উপজেলায় ২ জন, শাল্লা উপজেলায় ১ জন, তাহিরপুর উপজেলায় ৭ জন, জামালগঞ্জ উপজেলায় ১ জন, ধর্মপাশা উপজেলায় ১১ জন, দোয়ারাবাজার উপজেলায় ৪ জন, ছাতক উপজেলায় ১০ জন।

সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৫৯ জন। এরমধ্যে সুনামগঞ্জ সদর ও হাসপাতাল থেকে ৩ জন, দোয়ারাবাজার উপজেলা থেকে ৫ জন, দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলা থেকে ৭ জন, শাল্লা উপজেলা থেকে ৮ জন, জগন্নাথপুর উপজেলার ৬ জন, দিরাই উপজেলা থেকে ৫ জন, ছাতক উপজেলার ৫ জন, জামালগঞ্জ উপজেলা থেকে ৩ জন, বিশ^ম্ভরপুর উপজেলা থেকে ৬ জন, তাহিরপুর উপজেলা থেকে ৬ জন, ধর্মপাশা উপজেলা থেকে ৫ জন।

উল্লেখ্য, করোনা চিকিৎসার জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ১০০টি বেড প্রস্তুত করা হয়েছে। এছাড়াও ২০ জন ডাক্তার ও ১৪৩ জন নার্সও রয়েছেন। ছাতক, দোয়ারাবাজার, বিশ্বম্ভরপুর, তাহিরপুর, জামালগঞ্জ, জগন্নাথপুর, ধর্মপাশা, দিরাই, শাল্লা উপজেলায় ৩টি করে বেড এবং সুনামগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল ও আনিছা হেলথ কেয়ারে ২টি করে বেড প্রস্তুত করা হয়েছে। চিকিৎসার জন্য ১৩১ টি বেড রয়েছে। এছাড়াও ৮৬ জন ডাক্তার, ২৪৭ জন নার্স প্রস্তুত রয়েছেন। আক্রান্তদের জরুরী চিকিৎসায় স্থানান্তরের প্রয়োজনে ১ টি এম্বুলেন্স প্রস্তুত রয়েছে। জরুরী বিভাগে আইসোলেশনের ব্যবস্থাও রয়েছে।