নলুয়ার হাওরের দু’টি খালের খনন কাজ শুরু হয়নি- কৃষকরা শঙ্কায়

আলী আহমদ, জগন্নাথপুর
জগন্নাথপুরের নলুয়ার হাওরের মইনাখালি ও হামহামি খাল খনন কাজ শুরু হয়নি। স্থানীয় কৃষকরা জানিয়েছেন খননের উপযোগি সময় এখন। কিন্তু কর্তৃপক্ষ কাজ শুরু না করায় শংকিত হয়ে পড়েছেন কৃষকরা।
রবিবার সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, উপজেলার সর্ববৃহৎ  নলুয়া হাওর বেষ্টিত হামহামি ও মইনাখালি খালে খনন কাজের কোন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি। কৃষকরা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরেই এই দুই খাল খননের জোর দাবি জানিয়ে আসছেন কৃষকরা। এবার সরকারিভাবে দু’টি খাল খননের সিন্ধান্ত হয়েছে বলে কৃষকরা জানান। তারা মনে করছেন এখনই খননের উপযুক্ত সময়। সঠিক সময়ের মধ্যে কাজ শুরু না হলে ব্যাহত হবে খনন কার্যক্রম। কারণ দেড় মাসের মধ্যে নদ-নদীগুলোতে পানি বেড়ে গেলে আর কাজ শুরু করা যাবে না। যার ফলে ফসলের ব্যাপক ক্ষতির সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।
নলুয়া হাওরের মধ্যভাগ দিয়ে বয়ে গেছে হামহামি ও মইনাখালি খাল। অনেক বছরে ধরে খাল খনন না করায় হাওরের ফসলের ক্ষতির কারণ হয়ে দাড়িয়েছে। ফলে সামান্য বৃষ্টিতে   হাওরে জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। এমনকি হামহামির স্লুইস গেটের উপর প্রভাব পড়বে বলে মনে করছেন কৃষকরা।
নলুয়া হাওরপাড়ের ভুরাখালি গ্রামের বাসিন্দা কৃষক শাহাদাত মিয়া বলেন, ‘যথাসময়ে খনন করা না হলে হাওরের ফসল হুমকির মুখে পড়বে। অনেক দিন ধরেই আমরা হামহামি খাল খননের দাবি জানিয়ে আসছি। এই খাল খনন করলে আবাদে খুবই ভাল হবে।’
স্থানীয় ইউপি সদস্য রনধীর কান্তি দাস নান্টু বলেন, ‘মনাইখালি ও হামহামি খাল খনন করলে নলুয়া হাওরে জলাবদ্ধতা হবে না, ম্লুুইস গেটেও পানির প্রভাব পড়বে না, কৃষকরা উপকৃত হবেন। গতকাল (শনিবার) সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের এসও তোফাজ্জল হোসেন পরির্দশন করে গেছেন। তিনি বলেছেন দ্রুত কাজ শুরু হবে।’
সুনামগঞ্জের পানি উন্নয়ন বোর্ডের এসও তোফাজ্জল হোসেনের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিদের্শে দু’টি খাল পরির্দশন করেছি। রিপোর্ট দেওয়ার পর অর্থ বরাদ্দ পাওয়া গেলে খনন কাজ শুরু হবে।