নাম বিভ্রান্তির অবসান-সিরাজুল ইসলামই সদস্য

জগন্নাথপুর অফিস
সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের নতুন কমিটিতে সদস্য পদ নিয়ে জগন্নাথপুর উপজেলার দুই সিরাজুল এর মধ্যে নাম বিভ্রাট নিয়ে দ্বন্দ্বের অবসান হয়েছে। কলকলিয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলামই জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য বলে স্বীকৃতি দেন পাটলি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সিরাজুল হক।
বুধবার জগন্নাথপুর উপজেলা আওয়ামীলীগ দলীয় কার্যালয়ে এ বিষয়টি সুরাহা করেন পাটলী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি সিরাজুল হক।
জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার এম এনামুল কবির ইমনের ইউনিয়নের বাসিন্দা পাটলী
ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সিরাজুল হককে কমিটি ঘোষণার পর সদস্য হিসেবে অভিনন্দন জানিয়ে সামজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক প্রচারণা চালানো হয়। জেলা আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদকও বিভিন্নজনকে পাটলী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সিরাজুল হককে সদস্য হিসেবে নিশ্চিত করেন। ওই সময় সিরাজুল হক লন্ডনে অবস্থান করছিলেন।
অপরদিকে কমিটি ঘোষণার কয়েকদিন পর জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মতিউর রহমান বলেন, কলকলিয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলামকে জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য করা হয়েছে। এ নিয়ে দুই সিরাজুল এর সমর্থকদের মধ্যে দ্বন্দ্ব দেখা দেয়। চলতে থাকে প্রচার প্রচারণা। এ অবস্থায় পাটলী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান যুক্তরাজ্য থেকে দেশে ছুঁটে আসেন। জগন্নাথপুর উপজেলা আওয়ামীলীগ কার্যালয়ে তিনি সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি সিদ্দিক আহমদ এর উপস্থিতিতে ঘোষণা দেন, কলকলিয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম আমার বড় ভাই। জেলা কমিটির সদস্য তিনিই।
এ সময় কলকলিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাবেক চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম বলেন, জেলা আওয়ামীলীগের কমিটিতে স্থান পেতে আমি কোন লবিং করিনি। আমার ভাই পাটলী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সিরাজুল হক যে উদারতামূলক বক্তব্য দিয়েছেন তাতে আমি মুগ্ধ। আমরা মিলেমিশে সবাইকে নিয়ে প্রবীণ রাজনীতিবীদ সিদ্দিক আহমদের নেতৃত্বে জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সংসদ সদস্য অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নানের উন্নয়নমূলক কাজকে এগিয়ে নিতে চাই।