নেপালকে হারিয়ে গ্রুপ সেরা হয়ে সেমিতে মেয়েরা

সু.খবর ডেস্ক
মাস দেড়েক আগে ভুটানে সাফ অনূর্ধ্ব-১৫ নারী চ্যাম্পিয়নশিপ খেলে গেছে মেয়েরা। এবার আবার ভুটানের চাংলিমিথাং স্টেডিয়ামে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ খেলছে মেয়েরা। তবে এবার অনূর্ধ্ব-১৮ সাফের শিরোপা জয় মেয়েদের লক্ষ্য। আর তাতে গ্রুপ সেরা হয়ে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশের বয়স ভিত্তিক দলের মেয়েরা।
গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানকে ১৭-০ গোলে হারায় বাংলাদেশের অনূর্ধ্ব-১৮ মেয়ে দল। ওই জয়েই নিশ্চিত হয়ে যায় সেমিফাইনাল। এরপর নেপালের বিপক্ষে সমতা করলেই গ্রুপ সেরা থাকা নিশ্চিত ছিল বাংলাদেশ। তবে মঙ্গলবার কাজটা রুম্পা-নিলুফাররা ২-১ গোলের জয় তুলে নিয়েই করেছে। সেমিফাইনালে হয়েছে গ্রুপের সেরা দল।
ম্যাচের ১৬ মিনিটের মাথায় প্রথম গোল করে বাংলাদেশের স্বপ্না। এরপর ৩২ মিনিটে আবার ব্যবধান বাড়ায় কৃষ্ণা। প্রথমার্ধের ৪১ মিনিটে ব্যবধান ৩-০ করার সুযোগ পায় ছোটনের দল। কিন্তু পেনাল্টি পেয়েও গোল করতে পারেনি তারা। দ্বিতীয়ার্ধে আর গোল না পাওয়ায় জয় বড় করতে পারেনি মেয়েরা। তবে ওই ২-০ গোলেই জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ার সুযোগ ছিল তাদের। শেষ সময়ে এক গোল শোধ করে দেয় নেপাল।
বাংলাদেশের কাছে হারলেও এই গ্রুপ থেকে সেমিফাইনালে গেছে নেপালও। বাদ পড়েছে পাকিস্তান। এছাড়া অন্য গ্রুপ থেকে ভারত এবং ভুটান গেছে সেমিফাইনালে। তাদের গ্রুপ থেকে বাদ পড়েছে মালদ্বীপ। প্রথম ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে ভুটান হেরে শুরু করে। এরপর মালদ্বীপকে ১৩-০ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনালে যায় তারা।
বাংলাদেশ গ্রুপ সেরা হওয়ায় এবং ভুটন অপর গ্রুপের রানার্সআপ হওয়ায় বাংলাদেশ এবং ভুটান সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে। এছাড়া সেমিফাইনালের অন্য ম্যাচে ভারত খেলবে নেপালের বিপক্ষে। আগামী ৫ অক্টোবর সেমিফাইনালে চার দলই মাঠে নামবে।
গত আগস্টে কিশোরী সাফের ফাইনালে ভারতের কাছে হেরে স্বপ্ন ভেঙেছিল মেয়েদের। এবারও সেই ভুটানের চাংলিমিথাং স্টেডিয়ামে গত আসরের মতোই ফাইনালে বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। কারণ মেয়েদের বর্তমান যে ফর্ম তাতে সেমিফাইনালে ভুটান বাধা পেরোনো খুব কঠিন হওয়ার কথা না। আর তাই এবারও ফাইনালে খেলার ভালো সুযোগ চলে আসতে পারে মেয়েদের।
সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে প্রতিপক্ষ হিসেবে ফাইনালে পেয়ে যাবে ভারতকেও। শিরোপা মঞ্চে পা রাখতে হলে এখনও একটি বাধা অতিক্রম করতে হবে লাল-সবুজের দলকে। তবে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৮ নারী দল এবং মেয়েদের কোচ চাইবেন আগের অপেক্ষার অবসান করতে।
সূত্র সমকাল