পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা শাহিনা’র শ্রেষ্ঠত্বের হ্যাট্রিক

দক্ষিণ সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি
দক্ষিণ সুনামগঞ্জের পশ্চিম পাগলা ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা মোছা: শাহিনা আক্তার টানা তৃতীয়বারের মতো শ্রেষ্ঠ পরিদর্শিকা নির্বাচিত হয়েছেন। ২০১৬, ২০১৭ ও সর্বশেষ ২০১৮ সালে টানা তৃতীয়বারের মতো শ্রেষ্ঠ পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা নির্বাচিত হয়ে হ্যাট্রিক করার গৌরব অর্জন করেন তিনি। চলতি বছরে শ্রেষ্ঠ হওয়ার জন্য ১১ জুলাই (বুধবার) উপজেলার সভা কক্ষে তার হাতে সম্মাননা স্বারক তুলে দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শফি উল্লাহ। এসময় উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) সৈয়দা শমসাদ বেগম, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: জসিম উদ্দিন ও উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা শামীম চন্দ্র তালুকদার উপস্থিত ছিলেন।
প্রতি বছর প্রসব পূর্ব সেবা, প্রসব সেবা ও প্রসব পরবর্তী সেবা, শিশু, কিশোর ও কিশোরী প্রজনন সেবা এবং জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতির উপর সেবা প্রদানের উপর নির্ভর করে শ্রেষ্ঠ পরিদর্শিকা নির্বাচন করে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়। গত তিন বছর থেকে এসব কাজে শ্রেষ্ঠত্বের প্রমাণ দিয়ে সেরা পরিদর্শিকার স্থান দখল করে নিচ্ছেন মো: শাহিনা আক্তার। এছাড়াও এবছর উপজেলা পর্যায়ে জনসাধারণকে সুষ্ঠু চিকিৎসা প্রদানের জন্য পশ্চিম পাগলা ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রকে শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান, শ্রেষ্ঠ পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক হিসেবে পশ্চিম পাগলা ইউনিয়নের বিপ্রেস ভট্টাচার্য্য ও শ্রেষ্ঠ পরিবার কল্যাণ সহকারি হিসেবে পাথারিয়া ইউনিয়নের শীলা রাণী সরকারকে নির্বাচন করা হয়েছে। একই সময় তাদের হাতেও পুরুষ্কার তুলে দেওয়া হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সফি উল্লাহ’র সভাপতিত্বে ও পূর্ব পাগলা ইউনিয়নের পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক মো.শামীম আহমদের পরিচালনায় বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসে আয়োজিত আলোচনা সভা শেষে সেরাদের মাঝে পুরষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন দরগাপাশা ইউপি চেয়ারম্যান মনির উদ্দিন, পশ্চিম বীরগাঁও ইউপি চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম, উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা মাসুদ মিয়া, পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা সুমিত্রা চৌধুরী, মৃদুলা রানী তালুকদার, গুলসানারা রোজী, নাজমিন বেগম, তাজমিন বেগম, মালবিকা তালুকদার, তাহেরা বেগম, পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক দেব দোলাল তালুকদার, জাহিদুল ইসলাম সিদ্দিক ও তায়েফ চৌধুরীসহ অনেকে।
শাহিনা আক্তার বলেন, ‘মানুষকে সেবা প্রদানের জন্যই কাজ করি। পুরষ্কার পাওয়া আনন্দের ঠিক, কিন্তু আরো কাজ করে যেতে চাই। এজন্য সকলের সহযোগিতা দরকার। এই সাফল্যের ধারা অব্যাহত রেখে কাজ করতে চেষ্টা করবো।