পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রীর নিকট মধ্যনগরবাসীর দাবি, আবিদনগর-মধ্যনগর স্থায়ী বাঁধ চাই

ধর্মপাশা প্রতিনিধি
পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুকের কাছে আবিদনগর – কান্দাগাঁও – মাছিমপুর-মধ্যনগর পর্যন্ত স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবি করেছেন মধ্যনগরবাসী। এসময় ধর্মপাশার রুই বিল প্রকল্পের বর্তমান বাঁধের স্থান (হাওরের মাঝ বরাবর) নির্ধারণও সঠিক হয়নি বলে দাবি করেন মধ্যনগরবাসী।
শুক্রবার বিকালে মধ্যনগর বাজার থেকে জয়শ্রী ইউনিয়নের টঙ্গী বাঁধে যাবার সময় আবিদনগরে কয়েক’শ কৃষক জড়ো হয়ে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রীর নিকট এই দাবি করেন। স্থানীয় লোকজন মন্ত্রীকে বলেন,‘এই বাঁধ স্থায়ী হলে ৪ টি উপজেলার কৃষকরা উপকৃত হবেন।’
মধ্যনগরের আওয়ামী লীগ নেতা মো. এহছান জানান, এলাকার কয়েক’শ কৃষকের দাবির কথা শুনে প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক উপস্থিত পাউবো কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন সোমেশ্বরী নদীর পাড় থেকে ৩০ ফুট ভেতর দিয়ে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করে কৃষকদের দাবি পূরণ করতে হবে। মন্ত্রী পরে গলইখালী ঘুমাই নদী ও টঙ্গী ক্লোজার পরিদর্শন করেন।
শনিবার সকালে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী উপজেলার শয়তান খালের পুন:খনন ও আগুনিয়া খাল পুন:খনন কাজও পরিদর্শন করেন।
শয়তান খাল পরিদর্শনের সময় খননকৃত মাটি নদীর পাড়ে স্তুপ করে রাখায় মন্ত্রী খননকৃত মাটি সঙ্গে সঙ্গেই দূরে সরিয়ে নেবার নির্দেশ দেন।
পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক শুক্রবার বিকালে হেলিকপ্টারযোগে ধর্মপাশার বাদশাগঞ্জ স্কুল মাঠে এসে পৌঁছান। শুক্রবার বিকালে ও শনিবার দুপুর পর্যন্ত হাওরের বিভিন্ন নদী ও খাল খনন পরিদর্শন করেন তিনি।
এসময় স্থানীয় সংসদ সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেন রতন, পাউবো’র যুগ্ম প্রধান মন্টু কুমার বিশ্বাস, পাউবো মহাপরিচালক মো. মাহফুজুর রহমান, পাউবো’র প্রধান প্রকৌশলী নিজামুল হক ভুইয়া, তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মশিউর রহমান, পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক এমরান হোসেন, পাউবো’র নির্বাহী প্রকৌশলী আবু বকর সিদ্দিক ও খুশী মোহন সরকার, ধর্মপাশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো, ওবায়দুর রহমান প্রমুখ প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন।