পিকনিক-বিয়ের মৌসুমেও মূল্যস্ফীতি কমেছে পরিকল্পনা মন্ত্রী

সু.খবর ডেস্ক
চলতি বছরে মাসওয়ারিতে ফেব্রুয়ারিতে সাধারণ, খাদ্য ও খাদ্য বহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতির হারে স্বস্তি দিয়েছে। তিন খাতেই মূল্যস্ফীতির হার কমেছে। এরমধ্যে সাধারণ খাতে মূল্যস্ফীতির হার কমে হয়েছে পাঁচ দশমিক ৪৮ শতাংশ। যা জানুয়ারিতে ছিল পাঁচ দশমিক ৬৭ শতাংশ।
এ পরিপ্রেক্ষিতে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকায় পিকনিক ও বিয়ের মৌসুমেও মূল্যস্ফীতি বাড়েনি, বরং কমেছে বলে দাবি করেছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান।
মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভা শেষে পরিকল্পনা কমিশনের এনইসি সম্মেলন কক্ষে প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান তিনি। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) দেওয়া ভোক্তা মূল্য সূচকের (সিপিআই) সর্বশেষ হালনাগাদ তথ্যের বরাত দিয়ে এ তথ্য উপস্থাপন করেছেন মন্ত্রী।
বিবিএসের দাবি, জানুয়ারির তুলনায় ফেব্রুয়ারিতে মাছ, শাক-সবজি বিশেষ করে আলু, বেগুন, শিম, কুমড়া, গাজর, শসা, টমেটো, ফুলকপি, বাঁধাকপি, লালশাক ও মুলার দাম কমেছে। ফল জাতীয় পণ্যের মূল্যও কমেছে। এমনকি মসলা জাতীয় পণ্য পেঁয়াজ, রসুন ও আদার দামও মাসওয়ারি কমেছে।
পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, আমাদের সরবরাহ স্বাভাবিক ছিল। ফলে পিকনিক ও বিয়ের মৌসুমেও মূল্যস্ফীতি বাড়েনি। বরং কমেছে। পেঁয়াজ আকাশ থেকে মাটিতে নামছে। এ কারণেও কমছে মূল্যস্ফীতির হার।
‘পেঁয়াজ যন্ত্রণা (মূল্য বাড়া) থাকা সত্ত্বেও সার্বিক মূল্যস্ফীতি কমেছে। পেঁয়াজের দাম বেড়েছে, তবে সবজি, মাছ ও ফলমূলসহ অন্যান্য পণ্যের দাম কমেছে।’
বিবিএসের হালনাগাদ তথ্যে জানানো হয়, ফেব্রুয়ারিতে পয়েন্ট টু পয়েন্টের ভিত্তিতে খাদ্য বহির্ভূত খাতেও মূল্যস্ফীতির হার কমেছে। এটি এখন আছে ছয় দশমিক ৩৬ শতাংশে । যা জানুয়ারিতে ছিল ৬ দশমিক ৪১ শতাংশ।
সূত্র : জনকন্ঠ