প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

গত ১৬/১১/২০১৯ ইং তারিখে একটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় ‘এমপির ছোঁয়ায় ট্রলার মোস্তাক কোটিপতি’ শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। সংবাদে উল্লেখ করা হয় যে, আমি থানা পুলিশের কাছ থেকে মোটা অংকের মাসোয়ারা, বিনিয়োগ ছাড়া জলমহাল থেকে প্রভাব খাটিয়ে অর্থ আদায়, ঠিকাদারী কাজে ভাগ বসানো, তদবীর বাণিজ্য, মধ্যনগর বাজারে তিন তলা ভবন, অবৈধভাবে জায়গা দখল, ঢাকার অভিজাত এলাকায় বিলাস বহুল বাড়ী ও গাড়ীর মালিক, সোনালী ব্যাংক মধ্যনগর শাখায় দুটি একাউন্টে ৬০ লাখ টাকা লেনদেন ও এখনও ব্যাংকে ৩০ লাখ টাকা আছে। বিষয়গুলো সম্পুর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন।
মধ্যনগর বাজারে ১ শতাংশ জায়গার উপরে আমাদের তিন ভাইয়ের একটি পাকা দালান আছে। সোনালী ব্যাংক মধ্যনগর শাখায় দুটি একাউন্টের মাধ্যমে আমাদের চারজনের যৌথ ঠিকাদারী ফার্ম (প্রিন্স এন্টারপ্রাইজ, মুনা এন্টারপ্রাইজ, সরকার এন্টারপ্রাইজ ও আলিফ বিল্ডার্স) ও যমুনা ওয়েল কোং এর লেনদেন হয়। দুটি একাউন্টের মধ্যে একটিতে ৩৯,০০০/- টাকা ও অপরটিতে ৪৯,০০০/-টাকা আছে। এছাড়া উল্লেখ করা হয়েছে, আমি ট্রলার চালক ছিলাম। একসময় আমাদের হাওরাঞ্চলে পরিবহনের একমাত্র মাধ্যম ছিল নৌপথ তখন আমাদের বেশ কয়েকটি ট্রলার ও একটি লঞ্চ ছিল। এগুলো মাঝি ও সারং দ্বারা চালানো হতো। আমি ট্রলার ও লঞ্চ ব্যবসার মালিক ছিলাম কিন্তু চালক ছিলাম না।
আমি পারিবারিকভাবে আওয়ামী রাজনীতির সাথে জড়িত। ছাত্রজীবন থেকেই বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক। ছাত্রলীগ থেকে শুরু করে মধ্যনগর থানা যুবলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করে আসছি। আমার বাবা স্বাধীনতার পরে মধ্যনগর সদর ইউনিয়ন পরিষদের ১৪-০৯-১৯৭৩ খ্রি. হতে ২৭-০২-১৯৭৭ খ্রি পর্যন্ত ইউপি সদস্য ছিলেন। তিনি আওয়ামীলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। তিনি কখনো বিএনপির রাজনীতিতে জড়িত ছিলেন না। আমার ভাইয়েরা সকলেই আওয়ামী রাজনীতির সাথে জড়িত। তারা কোনো অবৈধ ব্যবসায় জড়িত নয়। আমাদের নিজস্ব কোনো বাহিনীও নেই। আমার বাবা পারিবারিকভাবেই অনেক জমির মালিক। যে বা যারা উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য উল্লেখিত বিষয়ে সংবাদের মাধ্যমে অপপ্রচার চালাচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে এবং ওই সংবাদের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
মোস্তাক আহমেদ
সভাপতি
বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ
মধ্যনগর থানা শাখা
ধর্মপাশা, সুনামগঞ্জ।