প্রথম টেস্টে ইনিংস ও ২১৯ রানের হার

সু.খবর ডেস্ক
অ্যান্টিগা টেস্টে প্রত্যাশিত হার হয়েছে বাংলাদেশের। ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে ইনিংস ও ২১৯ রানে হেরেছে সাকিব আল হাসানের দল। প্রথম ইনিংসে ৪৩ রানে অলআউট হওয়ার পর দ্বিতীয় ইনিংসেও ব্যাটিং ব্যর্থতা অব্যাহত রাখেন টাইগাররা। শ্যানন গ্যাব্রিয়েলের বোলিং তোপে দ্বিতীয় ইনিংসে ১৪৪ মাত্র রানে অল আউট হয় বাংলাদেশ। এই হারে টেস্ট সিরিজ জয়ের স্বপ্নে বড় ধাক্কা খেল লাল-সবুজের দল।
দ্বিতীয় ইনিংসেও ওয়েস্ট ইন্ডিজের পেসারদের বিপক্ষে ধুঁকেছেন তামিম-সাকিবরা। বাংলাদেশের দশটি উইকেটের সবগুলোই নিয়েছেন দলটির পেসাররা। গ্যাব্রিয়েল পাঁচ ও হোল্ডার তিনটি ও মিগুয়েল কামিন্স নেন দুটি করে উইকেট।
দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে আবার ব্যাটিং বিপর্যয়ের মুখে পড়ে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষে বাংলাদেশের স্কোর ছিল ৬ উইকেটে ৬২ রান। তৃতীয় দিন বাংলাদেশের ইনিংসটা স্থায়ী হলো মাত্র আধা ঘন্টা। দিনের শুরুতেই মাহমুদউল্লাহকে ফিরিয়ে দেন জেসন হোল্ডার। ১৫ রান করেন অভিজ্ঞ এই ব্যাটসম্যান। দলের নিশ্চিত পরাজয় জেনে হাত খুলে ব্যাটিং করার চেষ্টা করেন নুরুল হাসান সোহান।
বাংলাদেশের ইনিংসটা একশ পেরোয় সোহানের কারণেই। ৭৪ বলে ৬৪ রান করেন তিনি। শেষ দিকে ক্যারিবীয় বোলারদের পিটিয়ে হারের ব্যবধানটা কমানোর চেষ্টা করেন সোহান। শেষ পর্যন্ত ১৪৪ রানে শেষ হয় বাংলাদেশের ইনিংস। ব্যাটসম্যানদের মধ্যে রুবেল হোসেন করেন ১৬ রান।
এর আগে দ্বিতীয় দিনের শেষ সেশনে ব্যাটিং করতে নেমে চতুর্থ ওভারে জোড়া উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে যায় বাংলাদেশ। ফিরে যান তামিম ইকবাল ও মুমিনুল হক। ১০ ওভার শেষ না হতেই লিটন দাস ও মুশফিকুর রহিমও ফেরেন সাজঘরে। স্কোরবোর্ডে তখন মাত্র ৩৬ রান। এরপর ফিরে যান অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। দিনের শেষভাগে মেহেদী হাসান মিরাজ ফিরে গেলে বড় পরাজয় নিশ্চিত হয় টাইগারদের।
এর আগে দুই টেস্ট সিরিজের প্রথম ম্যাচে টসে জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেয় স্বাগতিক ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ক্যারিবীয় পেসারদের সামনে টাইগার ব্যাটসম্যানরা টিকে থাকে মাত্র ১৮.৪ ওভার। মাত্র ৪৩ রানে শেষ হয় বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস। টেস্টে এটাই টাইগারদের এক ইনিংসে সর্বনিম্ন রানের রেকর্ড।
ব্যাটিং করতে নেমে ক্রেইগ ব্র্যাথওয়েটের ১২১ ও শেই হোপের ৬৭ রানে ভর করে প্রথম ইনিংসে ৪০৬ রানে অলআউট হয় স্বাগতিক ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ফলে প্রথম ইনিংসে ৩৬৩ রানের চ্যালেঞ্জিং লিড নেয় জ্যাসন হোল্ডারের দল।
আগামী ১২ জুলাই থেকে জ্যামাইকায় শুরু হবে দ্বিতীয় টেস্ট।