প্রাথমিক সমাপনীতে বেড়েছে জিপিএ ৫

স্টাফ রিপোর্টার
পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা ও ইবতেদায়ীতে এবার পাস করেছে যথাক্রমে ৯১.৯৫ শতাংশ এবং ৯৫.৫৬ শতাংশ শিক্ষার্থী। এবার জেলায় প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় ৫২ হাজার ৪শত ১০ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। যার মধ্যে বালক ২২হাজার ৮শত ৫১ জন এবং বালিকা ২৯ হাজার ৫শত ৫৯ জন। পাশ করেছে ৪৮ হাজার ১শত ৯২ জন। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ হাজার ৮শত ৪৯ জন। এর মধ্যে বালক ৮২৪ জন এবং বালিকা ১০২৫জন।
জিপিএ-৫ এর দিক দিয়ে জেলায় এগিয়ে রয়েছে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা। এই উপজেলায় জিপিএ-৫ এসেছে ৪৩০টি। এরমধ্যে বালক ১৯৯টি এবং বালিকারা পেয়েছে ২৩১টি। এছাড়াও ৯৭.০২% পাশের হার নিয়ে জেলায় প্রথম স্থানে রয়েছে ছাতক উপজেলা। এর মধ্যে বালক পাশ করেছে ৯৬.৭৮% এবং বালিকা ৯৭.২৬%।
২০১৭ সালে তুলনায় এবার পাশের হার ও জিপিএ-৫ দুটোই বেড়েছে। গতবার জিপিএ-৫ পেয়েছিলো ১২০৩ জন।
সুনামগঞ্জ সদর উপজেলায় ৬২০২ জন অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৬ হাজার ১০ জন, পাশের হার ৯৫.৮৮%। জিপিএ ৫ পেয়েছে ৪৩০ জন।
দোয়ারাবাজার উপজেলায় ৪ হাজার ৬শত ৮০ জনের মধ্যে পাশ করেছে ৪ হাজার ৪শত ২৮ জন, পাশের হার ৯৪.৬৪%। জিপিএ ৫ পেয়েছে ১২১ জন।
বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় ৩ হাজার ৭শত ৯ জনের মধ্যে পাশ করেছে ৩ হাজার ৩শত ১৯ জন, পাশের হার ৮৯.২২%। জিপিএ ৫ পেয়েছে ৭৮ জন।
ছাতক উপজেলায় ৮৪৮০ জনের মধ্যে পাশ করেছে ৮২৩০ জন, পাশের হার ৯৭.০২%। জিপিএ ৫ পেয়েছে ২৯৪ জন।
তাহিরপুর উপজেলায় ৫২৫৭ জনের মধ্যে পাশ করেছে ৪৭৮৫, পাশের হার ৯১%। জিপিএ ৫ পেয়েছে ১৮১ জন।
জামালগঞ্জ উপজেলায় ২৮৩৭ জনের মধ্যে পাশ করেছে ২৫৮৪জন, পাশের হার ৯১.০২%। জিপিএ ৫ পেয়েছে ১৪৩ জন।
ধর্মপাশা উপজেলায় ৫০৪৬ জনের মধ্যে পাশ করেছে ৪৫৪৯ জন, পাশের হার ৯০.১১%। জিপিএ ৫ পেয়েছে ২৫৬ জন।
শাল্লা উপজেলায় ২৫০৭ জনের মধ্যে পাশ করেছে ১৯৯০ জন, পাশের হার ৭৯.৩৫%। জিপিএ ৫ পেয়েছে ৪৪ জন।
দিরাই উপজেলায় ৪৮৫৭ জনের মধ্যে পাশ করেছে ৪৪৭৫ জন, পাশের হার ৯২.০৮%। জিপিএ ৫ পেয়েছে ১৩৯ জন।
জগন্নাথপুর উপজেলায় ৪৪৮৫ জনের মধ্যে পাশ করেছে ৪২০৬ জন, পাশের হার ৯৪.৩৪%। জিপিএ ৫ পেয়েছে ৯৮ জন।
দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলায় ৪৩৫০ জনের মধ্যে পাশ করেছে ৩৬১৫ জন, পাশের হার ৮২.৭৬%। জিপিএ ৫ পেয়েছে ৬৫ জন।
এদিকে জেলায় ইবতেদায়ী পরীক্ষায় ৩ হাজার ৬শত ৬জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৩ হাজার ৪শত ৪৬ জন। পাশের হার ৯৫.৫৬%। জিপিএ ৫ পেয়েছে ৪৯ জন।