ফসল তুলতে হাওরের মানুষের কষ্ট হচ্ছে : রাষ্ট্রপতি

সু.খবর ডেস্ক
রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, গত বছরের আগাম বন্যায় হাওরে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছিল। এ বছরও ফসল ঘরে তুলতে হাওরের মানুষ অনেক কষ্ট করতে হচ্ছে। শুক্রবার দুপুর সোয়া ২টার দিকে কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলার কামালপুর গ্রামে রাষ্ট্রপতি নিজ বাড়ির উঠানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন।
এ সময় রাষ্ট্রপতি বলেন, হাওরে এ বছর বাম্পার ফলন হয়েছে। কিন্তু গত ১০ থেকে ১২ দিন ধরে টানা বৃষ্টিপাতজনিত বৈরী আবহাওয়ার কারণে হাওরের মানুষদের ফসল তুলতে খুব কষ্ট করছে।
রাষ্ট্রপতি তাঁর সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে হাওরে বজ্রপাতে বহু মানুষ নিহতের ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, প্রাকৃতিক নানা দুর্যোগ মোকাবেলা করেই হাওরবাসীকে টিকে থাকতে হয়।
এর আগে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ তাঁর বাড়ির মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়েন। এরপর তিনি তাঁর বাবা হাজী মো. তায়েব উদ্দিন ও মা মোছা. তমিজা খাতুনের কবর জিয়ারত করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও রাষ্ট্রপতির বড় ছেলে রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক।
কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলায় একদিনের সফরে দুপুর ১২টার দিকে রাষ্ট্রপতি হেলিকপ্টারে করে মিঠামইন উপজেলা হেলিপ্যাডে অবতরণ করেন। সেখান থেকে রাষ্ট্রপতি রিকশায় চড়ে উপজেলা পরিষদ ডাক বাংলোতে যান। সেখানে রাষ্ট্রপতিকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।
এরপর সেখানে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিয়ে রাষ্ট্রপতি আবারও রিকশায় চড়ে ডাকবাংলো বাজার ও মিঠামইন সদর ইউনিয়ন পরিষদ পরিদর্শন করেন।
এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্রপতি কার্যালয়ের সচিব সম্পদ বড়ুয়া, রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব মেজর জেনারেল সরোয়ার হোসেন, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. জিল্লুর রহমান, জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার মুর্শেদ চৌধুরী, পুলিশ সুপার (এসপি) মো. মাশরুকুর রহমান খালেদ।
বিকেল ৪টার দিকে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ হেলিকপ্টারে চড়ে ঢাকার উদ্দেশে রওয়ানা দেন।