বাংলাদেশ এখন বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল

দক্ষিণ সুনামগঞ্জ অফিস
সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব রূপন কান্তি শীল বলেছেন, ‘বিশ্বে বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের রোল মডেল। বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের মহাসড়কে এগিয়ে যাচ্ছে। সরকারের আন্তরিক প্রচেষ্টায় আজ আমাদের দেশ মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হয়েছে। আগামীতে বাংলাদেশে একটি স্বনির্ভর-উন্নত দেশ হিসাবে গড়ে উঠবে। তাই সবাইকে কাজ করতে হবে। সবাইকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত হতে হবে।’
রবিবার বেলা সাড়ে ১১টায় দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার শান্তিগঞ্জ এফ আইভিডিবি’র কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের হল রুমে, ইউনিসেফ’র সহযোগিতায়, উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের আয়োজনে, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় সমাজসেবা অধিদপ্তরের চাইল্ড সেনসিটিভ সোস্যাল প্রোটেকশন ইন বাংলাদেশ (সিএসপিবি) প্রকল্প, ফেইজ-২ এর আওতায় সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য শর্তযুক্ত অর্থ সহায়তার (সিসিটি) চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথা বলেন তিনি।
সভায় সুনামগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) নুরুজ্জামান’র সভাপতিত্বে ও দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিমা’র পরিচালনায়, বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, সমাজসেবা অধিদপ্তরের সিএসপিবি প্রকল্পের জাতীয় প্রকল্প পরিচালক (উপ সচিব) ডা. আশরাফী আহমদ, সিলেট বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের পরিচালক সৈয়দা ফেরদাউস আক্তার, দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী আবুল কালাম, দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. সফি উল্লাহ, ইউনিসেফ বাংলাদেশ সিলেট বিভাগের চিফ অফ ফিল্ড অফিসার কাজী দিল আফরুজা ইসলাম, দক্ষিণ সুনামগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. ইখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী।
সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন, সুনামগঞ্জ সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ পরিচালক ইব্রাহীম আল মামুন মোল্লা।
সভায় আরও বক্তব্য রাখেন, শিমুলবাঁক ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান জিতু, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আতাউর রহমান, সুবিধাবঞ্চিত শিশু তায়েফ আহমদ ও সাবিহা মৌরিন হিরা প্রমুখ।
পরে দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজলার বিভিন্ন গ্রামের ১২০জন সুবিধাবঞ্চিত শিশুর পরিবারের মধ্যে সহায়তার প্রথম কিস্তির ১২ হাজার টাকা করে চেক প্রদান করেন অতিথিবৃন্দ।
সহায়তাপ্রাপ্ত শিশুদের নিয়মিত বিদ্যালয়ে যেতে হবে, শিশু শ্রমে যাবে না, বাল্য বিবাহ দেওয়া যাবে না, এ ৩টি শর্তে এ সহায়তা পাচ্ছে তারা। শিশুরা সর্ব মোট ৩ কিস্তিতে এই সহায়তা পাবে। প্রতি জনে ৩ কিস্তিতে ৩৬ হাজার টাকা করে পাবে।