বাজারে পেঁয়াজের ঘাটতি তৈরি হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার
বাজারে পেঁয়াজের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। কিছু দোকানে পেঁয়াজ পাওয়া গেলেও বেশির ভাগ দোকানেই পাওয়া যাচ্ছে না। মুদি দোকানে আসা ক্রেতাদের এতে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।
জানা যায়, সারাদেশে পরিবহন ধর্মঘটের কারণে অন্য বিভাগ থেকে পেঁয়াজ আসে নি। সিলেটের পেঁয়াজের মান ভালো না হওয়ায় সেখান থেকে বিক্রেতারা পেঁয়াজ কিনে না আনায় এই ঘাটতি।
গতকাল (বৃহস্পতিবার) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় বাজারের অনেক দোকানেই পেঁয়াজ নেই। এতে ক্রেতাদের এক দোকান থেকে অন্য দোকানে ঘুরতে হচ্ছে।
বিক্রেতারা বলেছেন, পাইকারী দামেই ১৪০ টাকা ধরে পেঁয়াজ কেনা পড়ে। কয়েকদিন আগে প্রশাসনের চাপের কারণে পেঁয়াজ অনেকেই আনছেন না।
এদিকে যারা পেঁয়াজ বিক্রি করছেন সবাই সর্বনি¤œ ১৪০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ১৬০ টাকা ধরে পেঁয়াজ বিক্রি করছেন।
বাজারে পেঁয়াজ কিনতে আসা ইছাগড়ির বাসিন্দা আব্দুর বর বলেন, কোনো দোকানেই পেঁয়াজ খুঁজে পাচ্ছি না। ৪-৫ টা দোকান দেখে আসলাম পেঁয়াজ নেই।
ষোলোঘরের বাসিন্দা নিমাই সরকার বলেন, ব্যবসায়ীরা কম দামে পেঁয়াজ কিনতে পারছেন না। সব জায়গায় পেঁয়াজের অধিক মূল্য রয়েছে। তাই সব দোকানী পেঁয়াজ বিক্রি করছেন না।
বাজারের জগন্নাথবাড়ির ব্যবসায়ী অসিম রায় বলেন, ক্রেতারা কম দামে পেঁয়াজ কিনতে চায়। আমরা কম দামে পেঁয়াজ
কিনতে পারি না। এছাড়াও পরিবহন ধর্মঘটের কারণে বাজারে পেঁয়াজের সংকট তৈরি হয়েছে। আজ (বৃহস্পতিবার) ৩৮ বস্তা পেঁয়াজ আনলাম জাওয়া বাজার থেকে। প্রতি কেজি ১৩৫ টাকা করে কেনা পড়েছে।
জগন্নাথবাড়ির পারভেজ স্টোরের মালিক রবিন মিয়া বলেন, আমার দোকানে পেঁয়াজ নেই। লোকসান দিয়ে তো আর বিক্রি করতে পারবো না। যখন পাইকারী ভাবে কম দামে কিনতে পারবো তখন পেঁয়াজ বিক্রি করবো।
এবিষয়ে বাজার মনিটরিং কর্মকর্তা আব্দুল খালেক বলেন, পরিবহন ধর্মঘটের কারণে সুনামগঞ্জে পেঁয়াজ আসছে না। আর সিলেটের পেঁয়াজের মান ভালো না। এক বস্তা পেঁয়াজ আনলে অনেক পচা হয়ে যায়। এজন্য পেঁয়াজের কিছুটা ঘাটতি তৈরি হয়েছে। তবে কয়েক দিনের মধ্যে পেঁয়াজের বাজার স্বাভাবিক হয়ে আসবে।