বিএনপি-জামায়াতের ২১ নেতাকর্মী আটক

স্টাফ রিপোর্টার
সুনামগঞ্জে পুলিশের নাশকতা বিরোধী বিশেষ অভিযানে জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে বিএনপি ও জামায়াতের ২১ নেতাকর্মীকে আটক করা হয়েছে।
মঙ্গলবার ভোর থেকে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত নাশকতায় জড়িত হতে পারে এই সন্দেহে ওই ২১ নেতাকর্মীদের আটক করে পুলিশ।
পুলিশ সূত্র জানা যায়, আগামী ৮ জানুয়ারি বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার রায়কে কেন্দ্র করে নাশকতা সৃষ্টির আশঙ্কায় সুনামগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান চালায় পুলিশ।
আটক ২১ নেতাকর্মীর মধ্যে সদর থানার ৪ জন, ছাতকের ৩ জন, জগন্নাথপুরের ২ জন, দোয়ারাবাজারের ৩ জন, বিশ্বম্ভরপুরের ৩ জন, দিরাইয়ের ২, জামালগঞ্জে ৩ জন এবং শাল্লা থানায় ১ জনকে আটক করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার দুপুরে সুনামগঞ্জ শহর থেকে আটক করা হয় জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের ভাই যুবদল নেতা হাফিজুল ইসলাম রাজু এবং যুবদল নেতা অলিউর রহমান অলি ও গৌরারং ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলামকে।
মঙ্গলবার সকালে থানার ওসি মোল্লা মনির হোসেনর নেতৃত্বে পলাশ ইউনিয়নের কারেন্টের বাজারের রুবেল মিয়ার সারের দোকান থেকে গোপন বৈঠকের সময় ধনপুর ইউনিয়নের জামাতের নায়েবে আমির নুরুল ইসলামের ছেলে আবু সাঈদ (২৮), একই ইউনিয়নের  
 বিএনপিকর্মী শিলডোয়ার গ্রামের খায়ের আহমদের ছেলে নাসির উদ্দিন (২৫) ও পলাশ ইউনিয়নের বিএনপিকর্মী কাচিরগাতি গ্রামের নুরুল ইসলামের পুত্র রুবেল মিয়া (২৭) কে আটক করা হয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুরে জগন্নাথপুর পৌর শহরের পৌরপয়েন্ট এলাকা থেকে আটক করা হয়েছে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি পৌর এলাকার হবিবপুর গ্রামের বাসিন্দা সেলিম আহমদ ও ছাত্রদলকর্মী জগন্নাথপুর গ্রামের বাসিন্দা শফিকুল ইসলাম খেজর মিয়াকে।
এদিকে দুপুরে দোয়ারাবাজার থেকে আটক করা হয়েছে, সদর ইউনিয়নের মাছিমপুর গ্রামের বিএনপিকর্মী ফুলু মিয়া, একই গ্রামের আব্দুর রহিম ও বাংলাবাজার ইউনিয়নের সোনাছড়া গ্রামের খোরশেদ আলমকে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. হাবিবুল্লুাহ জানান, আটককৃতরা অতীতে বিভিন্ন নাশকতামূলক কর্মকান্ডে জড়িত ছিল। ফের নাশকতা সৃষ্টি করতে পারে এমন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তাদের আটক করা হয়েছে।