বিএফএফ-সমকাল বিতর্ক/ জুবিলী প্রাঙ্গণ ছিল উৎসবমুখর

স্টাফ রিপোর্টার
বিজ্ঞানের বিকল্প নেই। বুদ্ধি, যুক্তি ও প্রযুক্তির সমন্বয়েই মুক্তি। এটি প্রমাণের জন্যই শনিবার বাগযুদ্ধে মেতেছিল সুনামগঞ্জের প্রধান প্রধান ৭ টি মাধ্যমিক স্কুলের শিক্ষার্থীরা। বিতর্ক উৎসব অঙ্গন ছিল সুনামগঞ্জ শহরের সরকারি জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয়। সকাল থেকেই অংশগ্রহণকারী বিতার্কিকগণ ছাড়াও জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিতার্কিকরা সেখানে জড়ো হন। সমকাল সুহৃদ সমাবেশের আয়োজনে এবং বাংলাদেশ ফ্রিডম ফাউন্ডেশন (বিএফএফ) এর সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত এই বিতর্ক উৎসবে অংশ নেয়—সরকারি সতীশ চন্দ্র বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, সরকারি জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয়, সুনামগঞ্জ উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়, আলহাজ্ব জমিরুননূর উচ্চ বিদ্যালয়, আমবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়, এইচ এম পি উচ্চ বিদ্যালয় ও লবজান চৌধুরী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়।
প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছে সরকারি সতীশ চন্দ্র বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এবং রানার্সআপ হয় সরকারি জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয়। সেরা বক্তা হয়েছে সতীশ চন্দ্র বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের এভিএম জাইমা হোসেন।
প্রতিযোগিতা শেষে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন। তিনি বিজয়ী ও রানার্সআপ দলকে পুরস্কার তুলে দেন ।
সমকাল সুহৃদ সমাবেশের সভাপতি অ্যাড. মাহবুবুল হাছান শাহীনের সভাপতিত্বে ও সমকালের জেলা প্রতিনিধি পঙ্কজ দে’র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ শিক্ষাবিদ পরিমল কান্তি দে।
বিতর্ক আয়োজনে বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন কবি ইকবাল কাগজী, শিক্ষক সুভাষ চন্দ্র দাস, মো. আবুল হাসান, রিংকু কুমার কর, অনুপ নারায়ণ তালুকদার, মো. শাহজালাল সুমন, মো. শামছুল হুদা, দীপায়ন চৌধুরী, মোছাম্মৎ রওশনারা খাতুন, দীপংকর শম্মর্া চৌধুরী, মোছাম্মৎ রওশনারা খাতুন ও সোহানুর রহমান।
নানা পর্বে সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করেন সমকাল সুহৃদ সমাবেশের জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. সাদেকুর রহমান সনি, সহসভাপতি দেবাশীষ তালুকদার শুভ্র, সুহৃদ সংগঠক রাজীব রায়, মাহফুজ আলম, অমিত রায়, লুৎফুর রহমান, শুভ তালুকদার, শাহ্ তানভির, সামিউল হক, সজীব কুমার তালুকদার, রূপেশ^র দাস রাজন প্রমুখ।