বিক্রেতা আছে ক্রেতা নেই

আলী আহমদ, জগন্নাথপুর
জগন্নাথপুর পৌর শহরের হেলিপ্যাড এলাকায় কোরবানি ঈদের প্রথম গরু-ছাগলের হাট রবিবার বসেছে।
দুপুরে সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, কোরবানির প্রথম হাট হওয়ায় গরু-ছাগলের সংখ্যা কম। দেড় থেকে দুই শতাধিক গবাদি পশু হাটে এসেছে। আর ছাগলের সংখ্যা নিতান্তই কম। তবে হাটে সবই দেশী গরু দেখা গেছে। বিদেশী কিংবা ফার্মের কোন ধরনের গরু হাটে দেখা যায়নি। ক্রেতাদের উপস্থিতিও কম। যারাও হাটে এসেছে তারা দাম-দর যাছাই-বাছাই করছেন। বেচাবিক্রি নেই বললেই চলে। হাটে আসা বেপারি ও ক্রেতারা জানিয়েছেন ঈদের চার পাঁচ দিন পূর্ব থেকে বেচাকেনা জমজমাট হয়ে উঠবে।
কোরবানির ঈদের হাটে আসা ক্রেতা উপজেলার কলকলিয়া ইউনিয়নের জগদ্বীশপুর গ্রামের বাসিন্দা আইন উদ্দিন বলেন, ‘ঈদের এখন আট নয় দিন বাকি রয়েছে। বাজার ঘুরে দেখছি, দাম-দরও যাচাই বাছাই করছি। চাহিদা অনুযায়ী পেলে কিনব।’
আরেক ক্রেতা নাদামপুর গ্রামের বাসিন্দা তাজউদ্দিন বলেন, ‘প্রথম হাট হওয়ায় গরু-ছাগল নিতান্তই কম এসেছে। এর মধ্যে দামও বেশি মনে হচ্ছে। এখনও কেনা হয়নি। বাজার ঘুরে দেখছি।’
ময়মনসিংহের মদন থানা থেকে আসা বেপারি পলাশ মিয়া বলেন, ‘সকাল ৯টার দিকে হাটে এসেছি। ২৬টি দেশীয় গরু নিয়ে এসেছি। বিকাল তিনটা পর্যন্ত একটি গরুও বিক্রি হয়নি। ক্রেতারা এসে দাম-দর জিজ্ঞাসা করে চলে যাচ্ছেন। কিনছেন না কেউ। আশা করছি ঈদের দিন ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে বেচাবিক্রির ধূম পড়বে।’
জগন্নাথপুরের নলুয়া হাওরপারের ভুরাখালি গ্রামের কৃষক বশর মিয়া বলেন, ‘সকাল থেকে হাটে বসে আছি। একটিও গরু বিক্রি হয়নি। ক্রেতারাও হাটে কম এসেছেন।’ এসময় তিনি অন্য বছরের তুলনায় দাম তেমন বেশি নয় বলে জানান।
কোরবানি হাটের ইজারাদার আনিছ আলী বলেন, ‘কোরবানী ঈদের প্রথম হাট ছিল রবিবার। চাহিদা অনুযায়ী গবাদি পশু হাটে আসেনি। ক্রেতাদেরও উপস্থিতি কম ছিল। যে কারণে কেনাবেচা খুবই কম হয়েছে।’ আগামী বুধ ও রবিবার ঈদের হাট জমজমাট হবে বলেও তিনি জানান।