বিদ্যুতের পুরোনো সরবরাহ লাইনেই ভোগান্তি

স্টাফ রিপোর্টার
সুনামগঞ্জে নতুন পাওয়ার গ্রীড স্টেশন চালু হলেও পুরোনো অভ্যন্তরীণ ডিস্ট্রিবিউশন লাইন এবং বিদ্যুৎ কর্মচারীদের গাফিলতির কারণে ভোগান্তি রয়েই গেছে। বুধবারও শহরের বেশিরভাগ ফিডারেই ২-৩ বার করে বিদ্যুৎ গেছে। সুনমগঞ্জ বিদ্যুৎ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীর দাবি- ‘অন্য যে কোন সময়ের চেয়ে বিদ্যুৎ সেবা এখন বেশি পাচ্ছেন সুনামগঞ্জবাসী।’
বুধবার বেলা আড়াইটায় সুনামগঞ্জ শহরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ডিএস রোডে প্রায় ৪০ মিনিট বিদ্যুৎ ছিল না। খোঁজ নিয়ে জানা গেলো ওয়েজখালী গ্রীড স্টেশনে কোন সমস্যা নেই। জাতীয় গ্রীড থেকে ছাতক গ্রীড স্টেশন হয়ে যথারীতি সুনামগঞ্জ গ্রীড স্টেশনে বিদ্যুৎ সরবরাহ হচ্ছে। এর আগে সকাল থেকে শহরের এই ফিডারে দুইবার বিদ্যুৎ ছিল না। শহরের অন্যান্য ফিডারেও একইভাবে দিনে ২-৩ বার ত্রুটি দেখা দেয় এবং সরবরাহ বন্ধ থাকে।
শহরের হাসননগরের বাসিন্দা বিল্লাল হোসেন বলেন,‘বিদ্যুৎ লাইনে ত্রুটি দেখা দিলে বিদ্যুৎ কর্মচারীদের আসতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লেগে যায়। এই কারণে ভোগান্তি আরও বাড়ে।’
সুনামগঞ্জ বিদ্যুৎ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সেলিম আহমদ বলেন,‘সুনামগঞ্জে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি অন্য যে কোন সময়ের চেয়ে ভাল হয়েছে। রমজানের শুরু থেকে ইফতার, তারাবির নামাজ, কিংবা সেহেরীর সময় বিদ্যুৎ ছিল না, এটি কেউ বলতে পারবেন না। নতুন গ্রীড স্টেশন চালু হবার পর বিদ্যুৎ পেতে কোন সমস্যা হয়নি। তবে পুরাতন লাইনে মেইন্টেনেন্স, ট্রান্সফরমার নষ্ট হলে বদল করতে সময় লাগে, এই সময়টুকু সংশ্লিষ্ট লাইনে সরবরাহ বন্ধ রাখতে হয়। বুধবার যেখানেই বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়েছে লাইনে কাজের জন্য বন্ধ ছিল, কারো কোন গাফিলতি ছিল না।’
শহরের ওয়েজখালী গ্রীড স্টেশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপ-সহকারী প্রকৌশলী শাহীন আহমদ বলেন,‘আমি ৬ দিন হয় সুনামগঞ্জে এসেছি, একবারও এই গ্রীড স্টেশন ব্লাক আউট হয়নি। অর্থাৎ বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়নি সুনামগঞ্জ। এখানে মূলত মাঝে মধ্যে গ্রাহকরা বিদ্যুৎ পান না ডিস্ট্রিবিউশন লাইনে ত্রুটির জন্য।’