বিনা চীনাবাদাম- ৪ এর মাঠ দিবস পালিত

স্টাফ রিপোর্টার
সদর উপজেলার গৌরারং ইউনিয়নের শাক্তারপাড় গ্রামে বিনা উদ্ভাবিত উচ্চফলনশীল জাত বিনা চীনাবাদাম-৪ এর প্রচার ও সম্প্রসারণের লক্ষে মাঠ দিবস পালিত হয়েছে।
মঙ্গলবার বিকালে বিনা সুনামগঞ্জ উপকেন্দ্রের আয়োজনে শাক্তারপাড় গ্রামের পশ্চিমপাড়ায় বাদামের মাঠ দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
শাক্তারপাড় গ্রামের প্রবীণ কৃষক আলী নূরের সভাপতিত্বে ও বিনা সুনামগঞ্জ উপকেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. মাজহারুল ইসলামের পরিচালনায় আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সদ্য বিদায়ী উপ পরিচালক স্বপন কুমার সাহা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন,‘সরকার কৃষি ও কৃষকদের উন্নয়নে দিনরাত কাজ করে যাচ্ছে। বিনা নতুন নতুন ফসলের জাত উদ্ভাবণ করে কৃষকদের মাঝে ছড়িয়ে দিচ্ছে। বিনা উদ্ভাবিত উচ্চ ফলনশীল জাতের নানা ফসল কম জমিতে কম সময়ে ভাল ফলন দিচ্ছে। এতে কৃষি ও কৃষকের অনেক উপকার হচ্ছে। ধান কাটার পর পতিত জমিতে কৃষকরা বিনা চীনাবাদাম চাষ করে লাভবান হচ্ছেন। ’
বিনা চীনাবাদাম চাষের শুরুতে বীজ বপনের সময় ভাতের ফেনের সাথে জীবানু সার মিশিয়ে জমিতে ব্যবহার করে অধিক ফসল ঘরে তোলার জন্য কৃষকদের আহবান জানান তিনি।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের নতুন যোগদানকারী উপ পরিচালক বশির আহমদ সরকার, সদর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা সালাউদ্দিন টিপু, উপ সহকারি কৃষি কর্মকর্তা শাহ কামরান আহমদ, জেলা কৃষক লীগের সদস্য সচিব বিন্দু তালুকদার, বিনা উপকেন্দ্রের মাঠকর্মী শহীদুল ইসলাম, শাক্তারপাড়ের কৃষক মুজিবুর রহমান, গওয়াব আলী প্রমুখ।
বিনা চীনাবাদাম-৪ চাষকারী কৃষক গওয়াব আলী বলেন, ‘বিনা চীনাবাদাম-৪ এর ফলন খুব ভাল হয়েছে। এই বাদাম খেতেও খুব সুস্বাদু। দেশী জাতের বাদাম থেকে এই বাদামে পট বাদাম (অপুষ্টিকর) কম হয়। আমন ধান তোলার পর পতিত জমিতে এই বাদাম চাষ করেছি। ৩০ শতক জমিতে অন্তত ৫ মণ বাদাম পাব আমি। ১৫ হাজার টাকার বাদাম বিক্রি করতে পারব।’