বিভিন্ন ইউনিট কমিটি গঠনের পর পরিবর্তন

বিশেষ প্রতিনিধি
ইউনিট কমিটি গঠনে একমত হতে পারছে না সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপি। কমিটি গণমাধ্যমে প্রচার হবার পর আবার পরিবর্তন করে দেওয়া হচ্ছে। গত ২৫ অক্টোবর সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপি’র তিন ইউনিটÑ সুনামগঞ্জ সদর, সুনামগঞ্জ পৌরসভা ও বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা কমিটি গঠনের প্রেস বিজ্ঞপ্তি পত্রিকায় পাঠানো হয়। বিভিন্ন ফেসবুক আইডিতেও কমিটিগুলোর প্রচার হয়। কিন্তু বুধবার আগের কমিটি সংশোধন করে আরেকবার পাঠানো হয় গণমাধ্যমে। এর আগে জেলার তাহিরপুর ও জামালগঞ্জ উপজেলা বিএনপির কমিটি গঠনের ক্ষেত্রেও একই ধরনের ঘটনা ঘটে। জামালগঞ্জ ও তাহিরপুরে জেলা নেতৃবৃন্দ কমিটি দেবার পর কেন্দ্রীয় নির্দেশে নতুন কমিটি স্থগিত করে পুরাতন কমিটি বহাল রাখেন।
জেলা বিএনপির একজন নেতা জানান, সুনামগঞ্জ সদর, পৌরসভা ও বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা বিএনপির কমিটি গঠন করে গত ২৫ অক্টোবর ফেসবুকসহ স্থানীয় গণমাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। কিন্তু জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সাবেক হুইপ ফজলুল হক আছপিয়া এই তিন ইউনিটের কমিটি নিয়ে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের নিকট অসন্তোষ প্রকাশ করেন। পরে কেন্দ্রের নির্দেশেই জেলা বিএনপির সভাপতি কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন ও সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নুরুল কমিটি পরিবর্তন করে নতুন কমিটির অনুমোদন দেন।
বুধবার গণমাধ্যমে পাঠানো সুনামগঞ্জ সদর, পৌর ও বিশ্বম্ভরপুরের নতুন ইউনিট কমিটি অনুমোদন দেবার প্যাডে জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক লিখেছেন, ২৫ অক্টোবরের কমিটি বাতিলক্রমে নতুন কমিটির অনুমোদন দেওয়া হলো। এর আগে গত ২৮ আগস্ট তাহিরপুর উপজেলা কমিটির কমিটি পরিবর্তন করে সভাপতি নুরুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক জুনাব আলীকে করা হয়েছিল। জামালগঞ্জে নুরুল হক আফিন্দিকে সভাপতি ও শাজাহান মিয়াকে সম্পাদক করে নতুন কমিটি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ওই আসনের সাবেক সংসদ সদস্য নজির হোসেন কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের কাছে এই নিয়ে অভিযোগ জানানোয় নতুন কমিটি বাতিল করে পুরাতন কমিটি বহাল রাখা হয়। তাহিরপুরের পুরাতন কমিটির সভাপতি নুরুল ইসলাম এবং সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন। জামালগঞ্জের পুরাতন কমিটির সভাপতি নুরুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক মালেক মিয়া। এরাই এখনো সংগঠনের দায়িত্ব পালন করছেন।
বুধবার পাঠানো সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার নতুন কমিটিতে মো. আকবর আলীকে সভাপতি এবং সেলিম উদ্দিন আহমদ কে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।
কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন সহ সভাপতি উসমান গনি, ফুল মিয়া, আব্দুল হাই, আনোয়ার হোসেন, আজমল হোসেন, আব্দুল খালেক, আবু তাহের, মইনুল হোসেন, নুরুল হাজী, আলী নুর, হাজী আব্দুর কাদির, আব্দুল কাদির, নুরুল আমীন, সিকাব্দ আলী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশিদ, আব্দুল লতিফ, সিরাজুল ইসলাম, কবিরুল আলম, নুরুল ইসলাম, আব্দুর রহমান, মতিউর রহমান, আজিজুল হক, ফারুক মাস্টার, ফিরোজ মেম্বার, নিজাম উদ্দিন, আতিকুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক এজাদুর রহমান শাহিন, নুর উদ্দিন, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আনছার আলী, আলমাস উদ্দিন শিপু, আব্দুল ওয়াদুদ, প্রচার সম্পাদক হাজী আকুল আলী, দপ্তর সম্পাদক আজাদ মিয়া, সহ দপ্তর সম্পাদক জিয়া উদ্দিন, অর্থ সম্পাদক মনির মিয়া, সহ অর্থ সম্পাদক মধু মিয়া, যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক মানিক মিয়া, যুব বিষয়ক সম্পাদক মোশাহিদ, ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক সুপ্রিয়, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক আকিকুর রহমান, স্বেচ্ছাসেবক সম্পাদক আল আমিন, সমবায় বিষয়ক সম্পাদক আব্দুস সাত্তার, সমাজ সেবা বিষয়ক সম্পাদক ফিরোজ মিয়া, আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. সামসুজ্জোহা, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মাও. নজরুল ইসলাম, মৎস্য বিষয়ক সম্পাদক ইছাক আলী, গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আউয়াল মেম্বার, সাংস্কৃতিক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, ক্রীড়া সম্পাদক আসকর মেম্বার, মুক্তিযোদ্ধা সম্পাদক আব্দুল মান্নান, পল্লী উন্নয়ন সম্পাদক আবু সুফিয়ান, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, ক্ষুদ্র কুটির শিল্প বিষয়ক সম্পাদক জুবয়ের, সদস্য আ.স.ম খালিদ, হাবিবুর রহমান, আপ্তাব মিয়া, হাজী সিরাজুল ইসলাম, আদম আলী, আসকর আলী, ফজর আলী, আব্দুল হাই, মুক্তার আলী, রহমত আলী, গোলাম মোস্তফা, আজিজুর মেম্বার, সামসু মিয়া, মস্তফা, আলতু মিয়া, আছকির, হারুন মিয়া, আক্তার মেম্বার প্রমুখ।
সুনামগঞ্জ পৌর কমিটিতে অ্যাড. মো. শেরেনূর আলী কে সভাপতি এবং আব্দুল্লাহ আল নোমান কে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।
কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন সহ সভাপতি প্রফেসর নওয়াজ উদ্দিন, জুয়েল মিয়া, মো. আব্দুল হান্নান, কাজি জসিম উদ্দিন কামাল, সৈয়দ ইয়াছিনুর রশীদ, আ. কাহার তালুকদার, এ.হানিফ সুলেমান, অ্যাড. আবুৃ মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন আছপিয়া, জি.এম তাশহিজ, আবু মুছা, মামুন চৌধুরী, যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল গফফার, সিরাজুল ইসলাম, অ্যাড. আবু বক্কর, নজরুল ইসলাম, এ.টি.এম রুহুল মোমিন, কামরুল চৌধুরী, রাকিবুল ইসলাম দিলু, মমিনুল হক কালাচান, বাবুল চৌধুরী, সামছুল ইসলাম, আমির হামজা, আব্দুল মজিদ লিটন, সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আহমদ, রেজাউল করিম রেজা, সোহেল মিয়া, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলঅম, রুনু মিয়া, জুয়েল আহমদ, তারেক মিয়া, দপ্তর সম্পাদক অ্যাড. আব্দুল মজিদ জুয়েল, প্রচার সম্পাদক হোসাইন মাহমুদ শাহিন, আইন সম্পাদক অ্যাড. সাজ্জাদুর রহমান সাজ্জাদ, ক্রীড়া সম্পাদক অ্যাড. ফয়সল আহমদ, অর্থ সম্পাদক অ্যাড. আইন উদ্দিন, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক কৃটি মিয়া চৌধুরী, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক শাহ আলম, সমাজ সেবা সম্পাদক মইন উদ্দিন, সমবায় বিষয়ক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম, যুব বিষয়ক সম্পাদক মখলিছুর রহমান খয়রাত, গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আনোয়ার মিয়া, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক কামরুল ইসলাম মুহিত, যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক সাইদুর রহমান, পল্লী উন্নয়ন সম্পাদক আবিদ আলী, সদস্য ওয়াহিদ আহমদ, রেজাউল হক, নূর হোসেন, অধ্যক্ষ শেরগুল আহমেদ, সাদেকুন নূর, জমির উদ্দিন, আব্দুল কুদ্দুস, মোসাদ্দেক হোসেন বাচ্চু, জাকির খান আঙ্গুর, মতিউর রহমান, আব্দুল লতিব, সমর উদ্দিন, সিরাজুল ইসলাম, অ্যাড. নাজিম কয়েস আজাদ, রুহুল আমিন, অ্যাড. কামাল হোসেন, অ্যাড. আনিসুজ্জামান শামিম, শাহিনুর কবির, রেনু মিয়া, অ্যাড. জাবেদ মো. নূরে আলম, আব্দুল মজিদ, মো. আব্দুল মুকিত, সুশান্ত রায়, কিতাব আলী, আবু মিয়া, আনোয়ার মিয়া, আলা উদ্দিন আল আহদ, রুপন মিয়া, শামিম আহম্মদ, রাশিদ আলী, আব্দুল হান্নান, আ. রউফ, টিংকু তালুকদার, অ্যাড. আমিরুল হক, আব্দুল জব্বার, মোবারক আলী, সোহেল আহমদ, হোসেন মিয়া, জুনায়েদ আহমদ, এমদাদুল হক শাহজাহান, কামরুল হাসান বকুল, নুরুল আক্তার, মাহমুদ্দিন, সোনা মিয়া, আব্দুল বাছিদ, আব্দুর রহিম, বাহার উদ্দিন, শামিম আহমদ, আফাত উদ্দিন, আব্দুল মালেক, আফরোজ, আব্দুল গনি, আব্দুল হান্নান, আরিফ হোসেন দুলদুল, নুরুল হক।
বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা কমিটিতে অ্যাড. ছবাব মিয়া কে সভাপতি এবং শফিকুল ইসলাম কে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।
কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন সহ সভাপতি নুরুল ইসলাম, আব্দুল কুদ্দুছ, রওশান আলী, ফুলু মিয়া, ইসমাইল মীর, আবুজাফর উসমানী, নুরুল ইসলাম, সিদ্দিকুর রহমান, আবুল বাশার, রফিকুল ইসলাম, আব্দুল মালেক, মাজু মিয়া, লিলু মিয়া, সহ সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান আবু, আ. ছাত্তার, কামাল হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. নজরুল ইসলাম, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক ইকবাল হোসেন, মুক্তার হোসেন ভূইয়া, অর্থ সম্পাদক জুবের আহমদ, দপ্তর সম্পাদক মইনুর রহমান, সহ দপ্তর সম্পাদক বুরহান উদ্দিন, প্রচার সম্পাদক আবুল কালাম কালাম, সহ প্রচার সম্পাদক মিজানুর রহমান, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির বাচ্চু, সহ কৃষি বিষয়ক সম্পাদক আমির হোসেন, যুব বিষয়ক সম্পাদক হেলাল উদ্দিন, সহ যুব বিষয়ক সম্পাদক নজরুল ইসলাম, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মোজাম্মেল হোসেন, সহ স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক আল আমিন, ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক মাহবুব আলম তালেব, সহ ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক সাজুল করিম, আইন বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল হালিম, সহ আইন বিষয়ক সম্পাদক গুলে নূর, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আবুল খায়ের মাস্টার, সহ শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক খলিলুর রহমান, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দ জসিম উদ্দিন, গ্রাম বিষয়ক সম্পাদক বাবর আলী, সহ গ্রাম বিষয়ক সম্পাদক জামাল উদ্দিন, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক নুরুল ইসলাম, স হধর্ম বিষয়ক সম্পাদক গোপেশ বাবু, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক আয়েশা আক্তার, সহ মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ফরিদা আক্তার, পল্লী উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক আছির আলী, সহ পল্লী উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক মুজিবুর রহমান, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক জনাব আলী, সহ শ্রম বিষয়ক সম্পাদক জমির আলী, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক আঙ্গুর মিয়া, সহ বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক গোলাপ মিয়া, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. শাহ আলম, সহ স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক মিজানুর রহমান, ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক সুহাঙ্গীর আলম, সহ ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক কবির হোসেন, স্থানীয় সরকার বিষয়ক সম্পাদক আলফাত উদ্দিন কাজল, সহ স্থানীয় সরকার বিষয়ক সম্পাদক আক্তার হোসেন, ত্রাণ ও দুর্যোগ বিষয়ক সম্পাদক নজরুল ইসলাম, সহ ত্রাণ ও দুর্যোগ বিষয়ক সম্পাদক সেলিম আহমদ, আপ্যায়ান বিষয়ক সম্পাদক মুজিবুর রহমান, সহ আপ্যায়ান বিষয়ক সম্পাদক রমিজ উদ্দিন, সদস্য আ. কাদির কালা মিয়া, হারুনুর রশিদ, অ্যাড. আব্দুর হক, সৈয়দ রমিজ উদ্দিন, নজরুল ইসলাম, সুকেশ দেবনাথ, ইসকন্দর আলী মাস্টার, আব্দুল মান্নান, সাবুল, মুসলিম উদ্দিন, আয়না মিয়া, মঞ্জিল মিয়া, আব্দুল হাই, সুরুজ মিয়া, আ. সহিদ, হারুন মিয়া, মৌলানা আমির উদ্দিন, সুমন, ফারুক আহমদ, আ. খালেক, আ. মালেক, লুৎফুর রহমান, আ. ওয়াহাব. আ. সাহিদ, আব্দুল মমিন, রুকন মিয়া, শাহ আলম, জাহাঙ্গীর আলম পাঠান, বাবুল মিয়া, আব্দুল খালেক, আহাম্মদ আলী, সাইমুদ্দিন, আব্যুল কাশেম, আবুল কালাম, আব্দুল কুদ্দুছ, আলী নূর, আ. কাইয়ূম, সুরুজ মিয়া, সাদিকুর রহমান, মোবারক হোসেন, গোলাপ মিয়া।
জেলা বিএনপির সভাপতি কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন এবং সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নুরুল মুঠোফোন রিসিভ না করায় এ বিষয়ে তাঁদের বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।
জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সাবেক হুইপ ফজলুল হক আছপিয়া বললেন, ‘বুধবার সুনামগঞ্জ সদর, সুনামগঞ্জ পৌরসভা ও বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার যে কমিটি দেওয়া হয়েছে সেগুলো সেপ্টেম্বর মাসে করা হয়েছিল। গত ২৫ অক্টোবর গণমাধ্যমে ছাপা হওয়া কমিটির বিষয়ে আমার কিছুই জানা নেই।