বিশ্বম্ভরপুরে গড়ে ৪০-৫০% বাঁধের কাজ হয়েছে

বিশ্বম্ভরপুর প্রতিনিধি
বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় বাঁধের কাজ পরিদর্শন করেছেন উপজেলা পিএফজি ও হাওর রক্ষা বাঁধ উপজেলা কমিটি। রবিবার সকাল থেকে উপজেলার বৃহৎ করচার হাওর ও আঙ্গারুলী হাওর সহ বিভিন্ন হাওরে বাঁধের কাজ পরিদর্শন করে সদস্যরা অসন্তোষ প্রকাশ করেন।
বাঁধ রক্ষা উপজেলা কমিটির সদস্য উপজেলা কৃষকলীগ আহবায়ক হুমায়ূন কবির মৃধা ও এমপির প্রতিনিধি মো. মোকলেছুর রহমান জানান, করচার হাওর ও আঙ্গারুলী হাওরের ২০নং পিআইসিতে এ পর্যন্ত ২০% কাজ হয়েছে। প্রকল্পে পিআইসি’র কাউকে পাওয়া যায়নি। ২১ ও ২৬নং পিআইসিতে একই রকম কাজ হয়েছে। ৬নং, ৭নং ও ৩০নং পিআইসিতে কাজের অগ্রগতি অনেকটা ভালো। তবে মাটির দুরমুজ হওয়া উচিত। ১, ২, ৩, ও ৪ প্রকল্পে আরো দ্রুত গতিতে মাটির কাজ করতে হবে। ১৮নং পিআইসিতে মাঝে মাঝে বালি দিয়ে কাজ করা হয়েছে। ১২নং কাজের গতি অত্যন্ত কম। ২৭নং পিআইসিতে অনেক আগে থেকে কাজ শুরু করলেও এখন কাজের গতি নেই। বাঁধের কাজ নিয়ে সার্বিক বিষয় তারা বলেন, এ পর্যন্ত গড়ে ৪০-৫০% কাজ হয়েছে। তবে অনেক পিআইসিতে অনিয়ম ও কাজের ডিলেমি রয়েছে।
উপজেলা পিএফজির সদস্যরা গত শনিবার করচার হাওরের ৪টি পিআইসি ও আঙ্গারুলী সহ হাওরের ৩-৪টি পিআইসি পরিদর্শন করে জানান, কাজের গুণগত মান ভালো নয়। সরকারি বিধি মোতাবেক ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে দুরমুজ সহ মাটির কাজ সম্পন্ন করার কথা। কিন্তু ২১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত গড়ে ৪০-৪৫% কাজ হয়েছে।
উপজেলা পিএফজি কমিটির এটি এম শেখ আজরফ, অব.প্রাপ্ত হাবিলদার মোর্শেদ, মো. আব্দুছ ছাত্তার, আবু জাফর উসমানী, নুরুল ইসলাম সহ সদস্যরা বলেন, এ অবস্থা চলতে থাকলে হাওরের ফসল রক্ষা বাঁধ খুবই নিম্ন মানের হবে। জরুরী ভিত্তিতে কাজের গতি বাড়িয়ে মাটির দুরমুজ, স্লপ সহ যাবতীয় কাজ দ্রুত করার জন্য দাবি জানান নেতৃবৃন্দ।
উপজেলা কমিটির দায়িত্ব প্রাপ্ত পাউবোর উপ-সহকারি প্রকৌশলী মো. মনসুর রহমান বলেন, আমরা দায়িত্বপ্রাপ্তরা নিয়মিত কাজের তদারকি করছি। পিআইসিদেরকে বার বার তাগাদা দিচ্ছি সময়মত বিধি মোতাবেক কাজ সম্পন্ন করার জন্য। তিনি বলেন, এ পর্যন্ত উপজেলার সবকটি হওরের বাঁধে গড়ে ৫০ থেকে ৫৫% কাজ সম্পন্ন হয়েছে। আমরা দ্রুত কাজ সম্পন্ন করার জন্য জোর চেষ্টা চালাচ্ছি।