বিশ্বম্ভরপুরে ৩০টি মণ্ডপে হবে দুগার্পূজা

বিশ্বম্ভরপুর প্রতিনিধি
বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় ৩০টি মণ্ডপে অনুষ্ঠিত হবে শারদীয় দুগার্পূজা। এরমধ্যে পারিবারিক পারিবারিক পূজা ১টি এবং সার্বজনীন ২৯টি। সরেজমিনে দেখা যায়, প্রতিমা নিমার্ণসহ পূজার সকল প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে। উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের ২০টি, পলাশ ইউনিয়নে ৭টি, বাদাঘাট (দ.) ২টি ও ধনপুর ইউনিয়নে ১টি মণ্ডপে শারদীয় দুগার্পূজা অনুষ্ঠিত হবে।
পূজাকে সমানে রেখে ইতোমধ্যেই উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন ও উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত করেছে। মন্দির সংলগ্ন সড়ক মেরামত ও সংস্কারের কাজ করা হচ্ছে। উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসন মন্দির কমিটির সাথে যোগাযোগ রাখছে। উপজেলার প্রায় প্রতিটি মন্দিরেই প্রতিমা নিমার্ণের কাজ প্রায় শেষ পযার্য়ে। এখন সাজসজ্জার কাজ চলছে।
উপজেলা কেন্দ্রীয় কৃষ্ণনগর পূজা মন্দিরের প্রতিমা শিল্পী রিপন পাল বলেন, প্রতিমার কাজ শেষ পর্যায়ে। এখন সর্বশেষ রং তুলির কাজ ও অলংকার লাগানো কাজ করছি। তিনি এ বছর ৩টি প্রতিমা নিমার্ণ করছেন।
এদিকে প্রতিমা নিমার্ণ ছাড়াও মন্দির আঙ্গিনার প্যান্ডল নির্মাণের কাজ চলছে। ভারত সীমান্তবতীর্ পাহাড়ের পাদদেশে কাইতকোনা মন্দিরের সভাপতি রাকেশ হাজং বলেন, আমাদের পূজায় সবচেয়ে বেশি দর্শনার্থীদের ভিড় হয়। আমাদের প্যান্ডলের কাজ চলছে।
বিশ্বম্ভরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. ইকবাল হোসেন বলেন, সুষ্ঠু শান্তিপূর্ণ ভাবে আসন্ন শারদীর্য় দুর্গা পূজা উদযাপনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
উপজেলা নিবার্হী অফিসার মো. সাদি উর রহিম জাদিদ বলেন শান্তিপূর্ণ ভাবে শারদীয় দুগার্ উৎসব উদযাপনের লক্ষে ইতোমধ্যেই সকল পূজা মন্দিরের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক সহ জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকতার্, রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদেরকে নিয়ে মতবিনিময় সভা করা হয়েছে। সরকারি বরাদ্দের চাউলের ডিও প্রতিটি মন্দিরে প্রদান করেছি। তাছাড়াও বন্যার কথা বিবেচনা করে উপজেলা পরিষদ থেকে প্রতিটি মন্দিরের জন্য ৫ হাজার টাকা করে বিতরণ করেছি। মন্দিরের আশপাশ যোগাযোগের স্বার্থে ছোটখাটো রাস্তাগুলো সংস্কার করা হচ্ছে। শান্তিপূর্ণ ভাবে পূজা উদযাপনের লক্ষে প্রতিটি এলাকায় পরিদর্শন টিম গঠন করা হয়েছে এবং পূজা চলকালীন দিনগুলোর জন্য উপজেলা সদরে একটি কন্টোল রুম খোলা রাখা হবে।