বিস্ফোরক মামলায় শামীম চৌধুরীর জেল

স্টাফ রিপোর্টার
ছাতকে নৌপথে চাঁদাবাজি ও ফেসবুকে কটুক্তি’র জের ধরে ছাতক পৌরসভার মেয়র আওয়ামী লীগ নেতা আবুল কালাম চৌধুরী ও তার ভাই শামীম আহমদ চৌধুরী’র সমর্থকদের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধের ঘটনার পর পুলিশ বাদী হয়ে দায়ের করা বিস্ফোরক মামলা ও পুলিশ অ্যাসল্ট মামলার আসামী ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সদস্য, আওয়ামী লীগ নেতা শামীম আহমদ চৌধুরী’র জামিন না মঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠিয়েছেন আদালত। রোববার সুনামগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ ওয়াহিদুজ্জামান শিকদার এই আদেশ দেন।
গত ১৪ এপ্রিল ছাতকে পৌর মেয়র আবুল কালাম চৌধুরী ও তাঁর ভাই শামীম আহমদ চৌধুরী’র সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের সময় ব্যাপক পরিমাণে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহৃত হয়। দু’পক্ষের বন্দুক যুদ্ধে ১ জন নিহত এবং ৯ পুলিশসহ উভয়পক্ষের কমপক্ষে ৪০ জন আহত হয়েছিলেন। সংঘর্ষ ঠেকাতে পুলিশ ৫২ রাউন্ড টিয়ারগ্যাস এবং ১৬৩ রাউন্ড শর্টগানের গুলি ছুঁড়েছিল।
এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলা, একটি পুলিশ এসল্ট মামলা ও একটি বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা হয়। মামলার অন্যতম আসামী শামীম আহমদ চৌধুরী হাইকোর্টে হাজির হয়ে ২১ দিনের জন্য জামিন নেন। হাইকোর্টের ওই আদেশে বলা হয়েছিল, ২১ কার্যদিবসের মধ্যে সুনামগঞ্জ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে জামিন নামা জমা দিয়ে ২১ কর্মদিবস পর জেলা জজ আদালতে হাজির হবার জন্য। গত বুধবার শামীম চৌধুরী জেলা জজ আদালতে হাজির হন। আদালত আজ রোববার এই মামলার শুনানীর দিন ধার্য করেন।
শুনানী শেষে আদালত শামীম চৌধুরীকে জেল হাজতে প্রেরণের আদেশ দেন।
আদালতে মামলা শুনানীর সময় আসামী পক্ষে আইনজীবী ছিলেন আপ্তাব উদ্দিন, হুমায়ুন মঞ্জুর চৌধুরী, পীর মতিউর রহমান, সালেহ্ আহমদ, শফিকুল আলম, মাসুক আলম, শুকুর আলী, আব্দুল ওদুদ প্রমুখ।
বাদী পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট খায়রুল কবির রুমেন, অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট ছইল মিয়া, এপিপি জিয়াউল ইসলাম প্রমুখ।