‘বীনা উদ্ভাবিত ৭ ও ১৬ ধান বেশি উৎপাদনশীল’

স্টাফ রিপোর্টার
বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইন্সষ্টিটিউট (বীনা) উপকেন্দ্র এবং সদর উপজেলা কৃষি অফিসের উদ্যোগে মাঠ দিবস পালিত হয়েছে। সোমবার বিকাল ৩টায় মোল্লাপাড়া ইউনিয়নের জুগিরগাঁও পয়েন্ট এলাকায় এই মাঠ দিবস পালিত হয়।
বীনা উদ্ভাবিত উচ্চ ফলনশীল ৭ ও ১৬ জাত ধানের প্রচার ও সম্প্রসারণের লক্ষ্যে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইয়াসমিন নাহার রুমা। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ সফর উদ্দিন। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষি অফিসার মো. সালাহ উদ্দিন টিপু, বীনা উপকেন্দ্রের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা এবং অফিসার ইনচার্জ মাজহারুল ইসলাম। সভা পরিচালনা করেন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ফরহাদ হোসেন।
আলোচনা সভায় কৃষক আবুল কাশেম ও সেজুওয়ান আহমদ জানান, বীনা উদ্ভাবিত উচ্চ ফলনশীল ৭ ও ১৬ জাতের ধান বেশি উৎপাদনশীল। কম সময়ে ভাল ফসল উৎপাদন করা যায়।
সভাপতির বক্তব্যে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইয়াসমিন নাহার রুমা বলেন,‘কৃষি ক্ষেত্রে দেশ এখন অনেকটা এগিয়ে। কৃষি খাতের উন্নয়নে বিভিন্ন প্রকারের যন্ত্রপাতি বের হয়েছে। কৃষি ক্ষেত্রে অনেক আধুনিকায়ন হয়েছে।’ তিনি বলেন,‘কৃষক পরিবারে শিক্ষার হারও বাড়াতে হবে। শিক্ষা ক্ষেত্রে শিশুদের প্রেরণা যোগাতে হবে সকলকে।’
প্রধান অতিথির বক্তব্যে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ সফর উদ্দিন বলেন,‘বীনা উদ্ভাবিত উচ্চ ফলনশীল ৭ ও ১৬ ধান ভাল কী মন্দ এটা কৃষকেরা ভাল জানেন। এই সভায় তাঁরা মতামত দিয়েছেন ভাল, আসলেও ভাল। এই ধান উচ্চ ফলনশীল এবং কম সময়ে ফসল তোলা সম্ভব। উচ্চ ফলনশীল ৭ ও ১৬ ধান এর প্রচার বাড়াতে হবে। সকল স্থানের কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করতে হবে।’
আলোচনা সভা শেষে জুগিরগাঁও গ্রামের পাশে কৃষক সেজুয়ান আহমদের বীনা ধান-১৬ প্রদর্শনী জমির ফসল পরিদর্শন করেন অতিথিরা।