বীনা ধান-১৭ ও ২০ এর মাঠ দিবস পালিত

স্টাফ রিপোর্টার
ফসলের নিবিড়তা বৃদ্ধিকরণ, তিন ফসলভিত্তিক ফসল বিন্যাস উদ্ভাবন ও সম্প্রসারণের লক্ষ্যে রোপা আমন মৌসুমে বীনা-১৭ ও ২০ ধানের মাঠ দিবস পালিত হয়েছে। শুক্রবার দুপুর ২ টায় সদর উপজেলার সুরমা ইউনিয়নের কোনাগাঁও গ্রামে ডা. আবুল কালামের বাড়িতে মাঠ দিবস উপলক্ষে সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বীনা) ও সদর উপজেলা কৃষি অফিসের আয়োজনে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা কৃষি অফিসার সালাহ উদ্দিন টিপু। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের প্রশিক্ষক (ডিটিও) রবিউল হক মজুমদার। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন পুষ্টি গবেষক ড. আব্দুর রাজ্জাক, কৃষি উপ-সহকারী বিকাশ কুমার তালুকদার।
সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বীনা)’র বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. ফরহাদ হোসেন। আলোচনা সভা শেষে বীনা-১৭ ও ২০ ধানের প্রদর্শনী জমি পরিদর্শন করেন অতিথিরা।
সভায় বক্তারা বলেন,‘পুষ্টির হার কমে যাচ্ছে। সে সাথে শিক্ষার হারও কমে যাচ্ছে। বীনা-১৭ ও ২০ ধানের মধ্যে পুষ্টির পরিমাণ ভাল আছে। ঔষধ থেকে পুষ্টি না নিয়ে খাদ্য থেকে নেয়া অনেকটা ভাল। শরীরের জন্য জিংক খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই জাতের ধানে জিংক’র পরিমাণ ভাল আছে। ফলনও ভাল হয়। মানুষকে রোগ প্রতিরোধে ভিটামিন খেতে হয়। বীনা-১৭ ও ২০ ধানের গাছে রোগ প্রতিরোধ শক্তি আছে। জমিতে কোন জাতের ধান হবে, তা আগে কৃষকদের খুঁজে বের করতে হবে।