বৃক্ষমেলা চলছে

আকরাম উদ্দিন
‘সবুজে বাঁচি, সবুজ বাঁচাই, নগর প্রাণ প্রকৃতি সাজাই’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে শহরের সরকারী জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে বৃক্ষমেলা শুরু হয়েছে। গত ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে এই মেলা শুরু হয়েছে। মেলায় স্থাপিত ১৯টি স্টলে রয়েছে বিভিন্ন প্রজাতি গাছের চারা।
জেলা প্রশাসন, বনবিভাগ ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে অনুষ্ঠিত মেলায় বিভিন্ন প্রজাতির ফুলের গাছ, ঔষধি, কাঠ এবং ফলদ গাছের চারা বিক্রি হচ্ছে। প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত মেলার স্টল থেকে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ গাছের চারা কিনে নিচ্ছেন।
মেলার স্টলগুলোতে সেগুন, মেহগনি, গামাইর, কড়ই, চামল, কৃষ্ণচূড়া, কদম, রেন্ট্রি, শিলকড়ই, একাশি, বেলজিয়াম, শিমুল, চাকারশি, ওলট কম্বল, থানকুনি, নিম, আমলকি, বহেড়া, হরিতকি, তেজপাতা, সাতকড়া, নারকেল, সুপারি, আম, জাম, কাঁঠাল, লিচু, পেয়ারা, পেঁপেঁ, লুকলুকি, কুল, কামরাঙা, ভুবি, জলপাই, আমড়া, গোলাপ, জবা, গাঁদা, জাউগাছ, সুর্যমুখি ইত্যাদি গাছের চারা বিক্রি হচ্ছে।
গাছের চারা ক্রেতা মইন উদ্দিন বলেন,‘২টি হরিতকির চারা কিনেছি ৬০ টাকায়। হরিতকি ঔষধি গাছ। হরিতকি খেলে স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী।’
রহিম উদ্দিন বলেন,‘পেয়ারা গাছ কিনেছি ৪টি ৮০ টাকায়। পেয়ারা বড়ই সুস্বাদু ফল। দাম যা হউক এটা আমার শখের গাছ।’
বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার মেরুয়াখলা গ্রামের নার্সারীর মালিক ইসমাইল হোসেন বলেন,‘এবারও বিভিন্ন প্রজাতির গাছ নিয়ে মেলায় এসেছি। গতবারের চেয়ে অনেকটা ভাল দামে গাছের চারা বিক্রি করছি।’
সদর উপজেলার মঙ্গলকাটা গ্রামের বাসিন্দা কাজল মিয়া বলেন,‘এবার মানুষ বেশিরভাগ কদম গাছের চারা কিনে নিচ্ছেন। দামও ভাল পাচ্ছি।’
বুড়িস্থল গ্রামের আলী হোসেন বলেন,‘আমার কাছে আছে হরেক রকমের ফুলের গাছ। আমি ফুলের গাছ বিক্রি করছি। দাম ভালই পাচ্ছি।’