বৃষ্টি উপেক্ষা করে জগন্নাথপুরে ঈদবাজারে ক্রেতাদের ঢল

জগন্নাথপুর অফিস
করোনাভাইরাসের সংক্রমণের ঝুঁকি আর বৃৃষ্টিতে উপেক্ষা করে জগন্নাথপুরে চলছে ঈদের কেনাকাটা।
আজ বৃহস্পতিবার জগন্নাথপুর উপজেলা সদরের জগন্নাথপুর পুরান বাজার ও পৌরশহরের বিভিন্ন বিপনী বিতানে সকাল থেকে নারী পুরুষ শিশুসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষের ভিড় দেখা গেছে। সকালে এবং দুপুরের উপজেলার উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া বৃষ্টির মধ্যেও ঈদ বাজারে ক্রেতাদের উপস্থিতি ছিল ব্যাপক।
জানা যায়, জগন্নাথপুর উপজেলায় ঈদ বাজার জমজমাট হয়ে উঠেছে। লকডাউন সীমিত হওয়ার সাথে সাথে হাট বাজারে ক্রেতাদের ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিশেষ করে জগন্নাথপুর বাজারে নারী ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড় লক্ষ্যণীয়। কেনাকাটায় মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি। ঈদের দিন ঘনিয়ে আসার সঙ্গে ঈদ বাজারে বিক্রির ধুম পড়ছে। গত বোরো ফসলের বাস্পার ফলন হওয়াতে এবং প্রবাসীদের ধারাবারিক সহায়তার কারণে ঈদ বাজারে জমে উঠেছে। দেশে অন্য যেকোন এলাকায় থেকে এ উপজেলায় লডডাউন সীমিত ঘোষনার সঙ্গে সঙ্গে কিছুটা ঈদে আগে-ভাগেই বেচাকেনা শুরু হয়েছে।
ঈদ বাজারে আসা ফজলু মিয়া নামে এক ক্রেতা জানান, আর মাত্র তিন/চার দিন বাকী আছে ঈদুল-উল ফিতরের। কাজের ব্যস্ততার কারণে পরিবার পরিজনের জন্য নতুন জামা কাপড় কিনতে পারিনি। তাই আজকে বাজারে এসেছি।
সুলতান মিয়া নামে আরেক ক্রেতা জানান, নতুন জামা-কাপড় না হলে ঈদের আনন্দই যেন মলিন হয়ে যায়। তাই বৃষ্টির মধ্যেও ছেলে মেয়েকে নিয়ে কেনাকাটার জন্য এসেছি।
জগন্নাথপুর বাজারের এক কাপড় ব্যবসায়ী জানান, আমরা বারবার ক্রেতাদেরকে স্বাস্থ্যবিধির বিষয়টি বলছি।
জগন্নাথপুর বাজার ব্যবস্থাপনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক জাহির উদ্দিন বলেন, একদিকে করোনার ঝুঁকি অন্যদিকে বৃষ্টিপাত উপেক্ষা করে বাজারে লোকসমাগম বেড়েছে।
জগন্নাথপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী জানান, পুলিশ লোকজন কে সচেতন করতে দিনরাত কাজ করছে। ঈদকে সামনে রেখে হাটবাজারে মানুষের উপস্থিতি বেড়ে গেছে। আমরা নিয়ন্ত্রনের চেষ্টা করছি।