বেসরকারি মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির নির্বাচন, সভাপতি ইনছান মিঞা, সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম

স্টাফ রিপোর্টার
সুনামগঞ্জ জেলার বেসরকারি মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি পদে এইচএমপি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইনছান মিঞা, সাধারণ সম্পাদক পদে সাতগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শেখ নজরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে তাড়ল উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক আবু নূর মো. নুরুল আজিজ চৌধুরী নির্বাচিত হয়েছেন। শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০ টা থেকে বিকাল ৩ টা পর্যন্ত এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এদিকে, এই নির্বাচনে ভোট গ্রহণে পক্ষ পাতিত্ব ও কারচুপির অভিযোগ করেছেন অপর সভাপতি প্রার্থী ডুংরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুল মোনায়েম ও সাংগঠনিক সম্পাদক পদপ্রার্থী জমিরুন নুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সুচিত্রা চৌধুরী।
জেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির নির্বাচনে প্রত্যেক উপজেলার সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদক মিলে ভোটার ছিলেন ৩২ জন। নির্বাচনে ৩২ জন ভোটার ভোট প্রদান করেন। গণনা শেষে প্রিজাইডিং অফিসারের দায়িত্বে থাকা লবজান চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নির্বাচিতদের নাম ঘোষণা করেন। এসময় সভাপতি মো. ইনছান মিঞা, প্রাপ্ত ভোট ১৬, সাধারণ সম্পাদক শেখ নজরুল ইসলাম, প্রাপ্ত ভোট ২৪ এবং সাংগঠনিক সম্পাদক আবু নূর মো. নুরুল আজিজ চৌধুরী, প্রাপ্ত ভোট ১৫ পেয়েছেন ঘোষণা করা হয়।
এদিকে, অপর সভাপতি প্রার্থী মো. আব্দুল মোনায়েম ও সুচিত্রা চৌধুরী বিকালে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল আহাদের কাছে দায়ের করা অভিযোগে উল্লেখ করেন নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকারী প্রিজাইডিং অফিসার অন্যায়ভাবে ভোট বাতিল দেখিয়ে এক ভোট কম পেয়েছেন উল্লেখ করে সভাপতি পদে তাঁরা দুজনকে পরাজিত দেখিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীদের বিজয়ী ঘোষণা করেছেন। আবেদনে তাঁরা ভোট কেন্দ্রে বহিরাগতদের অবৈধভাবে ঢুকে ভোটের পরিবেশ নষ্ট করারও অভিযোগ করা হয়।
প্রিজাইডিং অফিসার লবজান চৌধুরী উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুছ ছত্তার অবশ্য দাবি করেছেন, কোন ভোট কারচুপি বা অনিয়ম হয়নি, নিয়মতান্ত্রিকভাবে ভোট গ্রহণ হয়েছে। একজন ভোটার যেখানে ভোটারের সীল দেবার কথা সেখানে সীল না দিয়ে অন্য স্থানে সীল দিয়েছেন, এ কারণে ভোট বাতিল হয় এবং বিষয়টি যারা অভিযোগ করেছেন, তারাও দেখেছেন. তাদের এজেন্টরাও লিখিত দিয়েছেন। সকল রেকর্ডপত্র আমাদের কাছে রয়েছে।