বেড়িবাঁধে পাকা সড়ক নির্মাণের দাবি

আকরাম উদ্দিন
সদর উপজেলার কুরবাননগর ইউনিয়নের গোদারগাঁও থেকে নতুন ব্রাহ্মণগাঁও ও ব্রাহ্মণগাঁও পর্যন্ত ৩ কিলোমিটার বেড়িবাঁধে পাকা সড়ক নির্মাণ হলে ৯ গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ ও যানবাহন চলাচলে শহরের সাথে সহজ যোগাযোগ মাধ্যম তৈরি হবে। তাই এই সড়কের পাকাকরণের দাবি স্থানীয় বাসিন্দাদের।
স্থানীয়রা জানান, এই বেড়িবাঁধের উপর দিয়ে ধারারগাঁও, কাইমতর, গোদারগাঁও, নতুন ব্রাহ্মণগাঁও, ব্রাহ্মণগাঁও, বিরামপুর, চানপুর, বল্লভপুর, ছফেরগাঁও এলাকার মানুষজন চলাচল করেন। এই বেড়িবাঁধের উপর দিয়ে একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, চাকুরিজীবী ও বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ প্রতিদিন আসা যাওয়া করেন। মানুষের সহজ যোগাযোগ মাধ্যম তৈরি করতে এই বেরীবাঁধ পাকাকরণ জরুরি প্রয়োজন।
দেশ স্বাধীনের পর মোল্লাপাড়া ইউনিয়নের তৎকালীন চেয়ারম্যান মো. সাজিদুর রহমান এই বেড়িবাঁধ নির্মাণ করেন। বন্যায় সুরমার পানি উপচে উঠে এলাকার ঘর-বাড়ি ও ফসলি জমি তলিয়ে যেতো। বেড়িবাঁধ নির্মাণ করায় বন্যার কবল থেকে রক্ষা পায়। সহজ যোগাযোগ মাধ্যম হিসাবে এই বেড়ি বাঁধের উপর দিয়ে মাটির সড়কে মানুষ চলাচল করে আসছেন। তাই এই বেড়িবাঁধ পাকাকরণের দাবি স্থানীয় বাসিন্দাদের।
স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য আবু তাহের বলেন,‘এই বেড়িবাঁধের উপর পাকা সড়ক নির্মাণ হলে আশপাশের অন্তত: ১০টি গ্রামের মানুষ ও
যানবাহন চলাচল করতে পারবে। এতে শহরের সাথে যোগাযোগ সহজ হবে।’
কুরবাননগর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. আব্দুল কাইয়ূম বলেন,‘বেড়িবাঁধে পাকাকরণ হলে এলাকার কয়েকটি গ্রামের মানুষ সহজে শহরে আসতে পারবেন এবং রোগীরা ও গাড়ি করে আসা-যাওয়া করতে পারবেন। এই সড়কের পাকাকরণ আমাদের দাবি।’
কুরবাননগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আবুল বরকত জানান, এই বেড়িবাঁধ বন্যায় ঘর-বাড়ি ও ফসলি জমি রক্ষা হয়ে আসছে। বেড়িবাঁধ পাকাকরণ হলে এলাকার কয়েক হাজার মানুষ ও যানবাহন চলাচল করতে পারবে। তাই সড়ক পাকাকরণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে এ বছর আমরা আবেদন করব।