বেড়েছে পাশের হার ও জিপিএ ৫

সজীব দে
এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় সুনামগঞ্জ জেলায় পাশের হার ও জিপিএ দুটোই বেড়েছে। এবার পাশের হার ৬৫ দশমিক ৩৯ শতাংশ। ২০১৮ সালে ছিল ৬৪.০১ শতাংশ। এবার জিপিএ- ৫ পেয়েছে ২৮ জন শিক্ষার্থী। ২০১৮ সালে জিপিএ-৫ পেয়েছিল ২২ জন শিক্ষার্থী। এবার ১০ জন ছেলে এবং মেয়ে ১৮ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। জিপিএ-৫ এর দিক দিয়ে এগিয়ে রয়েছে সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজ। কলেজের ৯ জন শিক্ষার্থী জিপিএ- ৫ পেয়েছে। এছাড়াও সুনামগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজের ৩ শিক্ষার্থী, দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার ডুংরিয়া হাই স্কুল এন্ড কলেজের ১ জন, শাল্লা কলেজে ৩ জন, জগন্নাথপুর উপজেলার জগন্নাথপুর কলেজে ১ জন এবং শাহজালাল মহাবিদ্যালয় ২ জন, দোয়ারাবাজার উপজেলার বড়খলা হাইস্কুল এন্ড কলেজে ১ জন, ধর্মপাশা উপজেলার বাদশাগঞ্জ কলেজে ১ জন, জামালগঞ্জ কলেজে ১ জন এবং দিরাই উপজেলার বিবিয়ানা মডেল কলেজে ৬ জন শিক্ষার্থী জিপিএ- ৫ পেয়েছে। সিলেট বোর্ডে জিপিএ- ৫ এ পিছিয়ে এবং পাশের হারে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে সুনামগঞ্জ জেলা।
এবছর ৬ হাজার ৩২৫ জন ছেলে এবং ৮ হাজার ১৩৯ জন মেয়ে মিলিয়ে মোট ১৪ হাজার ৪৬৪ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে। পাশ করেছে ৯ হাজার ৪৫৮ জন। এরমধ্যে ছেলে ৩ হাজার ৯৩০ এবং মেয়ে ৫ হাজার ৫২৮ জন।
ফলাফলের দিক দিয়ে জেলায় প্রথম স্থানে রয়েছে দিরাই উপজেলার বিবিয়ানা মডেল কলেজ এবং দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজ।
পাশের হারের দিক দিয়ে জেলায় প্রথম দিরাই উপজেলার বিবিয়ানা মডেল কলেজ। পাশের হার ৯৯.২৫ শতাংশ। সব থেকে খারাপ ফলাফল করেছে দোয়ারাবাজর উপজেলার ঘিলাছড়া হাই স্কুল এন্ড কলেজ। পাশের হার মাত্র ১৬.৭৬ শতাংশ।
সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার সুনামগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজ থেকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৭৩১ জন। পাশ করেছে ৫০৩ জন, পাশের হার ৬৮.৮১ শতাংশ। এরমধ্যে মানবিক বিভাগ থেকে ৪৩১ জন এবং বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ৭২ জন পাশ করেছে। জিপিএ- ৫ পেয়েছে ৩ জন শিক্ষার্থী।
সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজ থেকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে ১২৪০ জন। পাশ করেছে ৯৯৪ জন, পাশের হার ৮০.১৬ শতাংশ। এরমধ্যে বাণিজ্যে বিভাগ থেকে ২৮১, মানবিক বিভাগ থেকে ৪০৬ এবং বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ৩০৭ জন পাশ করেছে। জিপিএ- ৫ পেয়েছে ৯ জন শিক্ষার্থী।
সুনামগঞ্জ পৌর কলেজ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে ৫১০ জন। পাশ করেছে ১৭১ জন, পাশের হার ৩৩.৫৩ শতাংশ। এরমধ্যে বাণিজ্যে বিভাগ থেকে ৬, মানবিক বিভাগ থেকে ১৬৫ জন পাশ করেছে।
ইসলামগঞ্জ কলেজ থেকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে ১৯৫ জন। পাশ করেছে ৫৭ জন, পাশের হার ২৯.২৩ শতাংশ। এরমধ্যে বাণিজ্যে বিভাগ থেকে ১, মানবিক বিভাগ থেকে ৫৬ জন পাশ করেছে।
মঈনুল হক কলেজে মানবিক বিভাগ থেকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে ২০৬ জন। পাশ করেছে ৫৫ জন, পাশের হার ২৬.৭০ শতাংশ।
বিশ^ম্ভরপুর উপজেলা থেকে ৭৬৮ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। এর মধ্যে পাশ করেছে ৫৬৪ জন। উপজেলার রতারগাঁও হাই স্কুল এন্ড কলেজ থেকে ৬৭ জন মানবিক বিভাগ থেকে অংশ গ্রহণ করে পাশ করেছে ৪৩ জন। পাশের হার ৬৪.১৮ শতাংশ।
দিগেন্দ্র বর্মন ডিগ্রি কলেজ থেকে ৭০১ জন অংশ গ্রহণ করে পাশ করেছে ৫২১ জন। এরমধ্যে বাণিজ্যে ১১০, মানবিক বিভাগ থেকে ৩৪৪ জন এবং বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ৬৭ জন পাশ করেছে। পাশের হার ৭৪.৩২ শতাংশ।
ছাতক উপজেলার সমতা হাই স্কুল এন্ড কলেজে মানবিক বিভাগ থেকে ৭১ জন অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৬৮ জন। পাশের হার ৯৫.৭৭ শতাংশ।
উত্তর সুরমা আসমত আলী হাই স্কুল এন্ড কলেজে মানবিক বিভাগ থেকে ১৯ জন অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৪ জন। পাশের হার ২১.০৫ শতাংশ।
ঝিগলি হাই স্কুল এন্ড কলেজ থেকে মানবিক বিভাগে অংশগ্রহণ করে ৯৭ জন। পাশ করেছে ৯৪ জন, পাশের হার ৯৬.৯১ শতাংশ।
বুড়াইয়া স্কুল এন্ড কলেজ থেকে মানবিক বিভাগে অংশগ্রহণ করে ৫০ জন। এরমধ্যে পাশ করেছে ২৩ জন, পাশের হার ৪৬.০০ শতাংশ।
ছাতক কলেজ থেকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৮২১ জন। পাশ করেছে ৪৫৬ জন, পাশের হার ৫৫.৫৪ শতাংশ। এরমধ্যে বাণিজ্যে বিভাগ থেকে ১৪৪, মানবিক বিভাগ থেকে ২১২ এবং বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ১০০ জন পাশ করেছে।
গোবিন্দগঞ্জ আব্দুল হক স্মৃতি কলেজ থেকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৬৬১ জন। পাশ করেছে ৫১৬ জন, পাশের হার ৭৮.০৬ শতাংশ। এরমধ্যে এরমধ্যে বাণিজ্যে বিভাগ থেকে ৯০, মানবিক বিভাগ থেকে ৩৩৯ এবং বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ৮৭ জন পাশ করেছে।
জনতা মহাবিদ্যালয় থেকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৩৩৪ জন। পাশ করেছে ৩১০ জন, পাশের হার ৯২.৮১ শতাংশ। এরমধ্যে বাণিজ্যে বিভাগ থেকে ৬২, মানবিক বিভাগ থেকে ২০৪ এবং বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ৪৪ জন পাশ করেছে।
জাউয়াবাজার কলেজ থেকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে ৫১২ জন। পাশ করেছে ৪৫৮ জন, পাশের হার ৮৯.৪৫ শতাংশ। এরমধ্যে বাণিজ্যে বিভাগ থেকে ৪৬, মানবিক বিভাগ থেকে ৩৩৬ এবং বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ৭৬ জন পাশ করেছে।
দিরাই উপজেলার রানীগঞ্জ হাইস্কুল এন্ড কলেজ থেকে মানবিক বিভাগে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৪৫ জন। পাশ করেছে ৯ জন, পাশের হার ২০.০০ শতাংশ।
জগদল কলেজ থেকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে ১৪১ জন। পাশ করেছে ৯১ জন, পাশের হার ৬৪.৫৪ শতাংশ। এরমধ্যে বাণিজ্যে বিভাগ থেকে ২৫, মানবিক বিভাগ থেকে ৬৬ জন পাশ করেছে।
বিবিয়ানা মডেল কলেজ থেকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে ২৬৭ জন। পাশ করেছে ২৬৫ জন, পাশের হার ৯৯.২৫ শতাংশ। এরমধ্যে বাণিজ্যে বিভাগ থেকে ১১, মানবিক বিভাগ থেকে ২০২ এবং বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ৫২ জন জন পাশ করেছে। জিপিএ ৫ পেয়েছে ৬ জন শিক্ষার্থী।
দিরাই কলেজ থেকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে ৯৯৮ জন। পাশ করেছে ৭৩০ জন, পাশের হার ৭৩.১৫ শতাংশ। এরমধ্যে বাণিজ্যে বিভাগ থেকে ৫৯, মানবিক বিভাগ থেকে ৫৯৬ এবং বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ৭৫ জন পাশ করেছে।
ধর্মপাশা উপজেলার গোলকপুর হাজী আ. হাফিজ হাই স্কুল এন্ড কলেজে মানবিক বিভাগ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে ৫৫ জন। পাশ করেছে ৩০ জন, পাশের হার ৫৪.৫৫ শতাংশ।
ধর্মপাশা থেকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে ৪৩১ জন। পাশ করেছে ২৩০ জন, পাশের হার ৫৯.৩৬ শতাংশ। এরমধ্যে বাণিজ্যে বিভাগ থেকে ৬, মানবিক বিভাগ থেকে ২১৭ এবং বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ৭ জন পাশ করেছে।
বাদশাগঞ্জ কলেজ থেকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে ৩৩৮ জন। পাশ করেছে ১৫৮ জন, পাশের হার ৪৬.৭৫ শতাংশ। এরমধ্যে বাণিজ্যে বিভাগ থেকে ১৩, মানবিক বিভাগ থেকে ১৩৪ জন এবং বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ১১ জন পাশ করেছে। জিপিএ- ৫ পেয়েছে ১ জন শিক্ষার্থী।
মধ্যনগর বিশে^শরি পাবলিক হাই স্কুল এন্ড কলেজে মানবিক বিভাগ থেকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে ২৩৯ জন। পাশ করেছে ৯৯ জন, পাশের হার ৪১.৪২ শতাংশ।
দোয়ারাবাজার উপজেলার ভোগলা রাসমত আলী রামসুন্দর হাই স্কুল এন্ড কলেজে মানবিক বিভাগ থেকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে ৮৫ জন। পাশ করেছে ৮০ জন, পাশের হার ৯৪.১২ শতাংশ।
লিয়াকতগঞ্জ হাই স্কুল এন্ড কলেজে মানবিক বিভাগ থেকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে ১৪৩ জন। পাশ করেছে ৯৩ জন, পাশের হার ৬৫.০৩ শতাংশ।
ঘিলাছড়া হাই স্কুল এন্ড কলেজে মানবিক বিভাগ থেকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে ৪২ জন। পাশ করেছে ৭ জন, পাশের হার ১৬.৬৭ শতাংশ।
দোয়ারাবাজার কলেজ থেকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে ১৮৩ জন। পাশ করেছে ৬৫ জন, পাশের হার ৩৫.৫২ শতাংশ। এরমধ্যে এরমধ্যে বাণিজ্যে বিভাগ থেকে ১৮, মানবিক বিভাগ থেকে ৪৭ জন জন পাশ করেছে।
বড়খলা হাইস্কুল এন্ড কলেজের মানবিক বিভাগ থেকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে ২০৪ জন। পাশ করেছে ১৯৪ জন, পাশের হার ৯৫.১০ শতাংশ। জিপিএ ৫ পেয়েছে ১ জন শিক্ষার্থী।
সমুজ আলী হাই স্কুল এন্ড কলেজ থেকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে ১৯০ জন। পাশ করেছে ১০৬ জন, পাশের হার ৫৫.৭৯ শতাংশ। এরমধ্যে মানবিক বিভাগ থেকে ৫৬ জন এবং বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ৫০ জন পাশ করেছে।
জগন্নাথপুর উপজেলার শ্রীরামসী হাই স্কুল এন্ড কলেজে মানবিক বিভাগ থেকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে ৫২ জন। পাশ করেছে ৩৫ জন, পাশের হার ৬৭.৩১ শতাংশ।
শেরোপলী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে মানবিক বিভাগ থেকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে ৮০ জন। পাশ করেছে ৪৫ জন, পাশের হার ৫৬.২৫ শতাংশ।
নয়াবন্দর হাই স্কুল এন্ড কলেজের মানবিক বিভাগ থেকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে ৭৩ জন। পাশ করেছে ৪৩ জন, পাশের হার ৫৮.৯০ শতাংশ।
জগন্নাথপুর কলেজ থেকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে ৬০১ জন। পাশ করেছে ৪২২ জন, পাশের হার ৭০.২২ শতাংশ। এরমধ্যে বাণিজ্যে বিভাগ থেকে ৪৬, মানবিক বিভাগ থেকে ৩৩৫ জন এবং বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ৪১ জন পাশ করেছে। জিপিএ- ৫ পেয়েছে ১ জন শিক্ষার্থী।
সৈয়দপুর আদর্শ কলেজের মানবিভাগ থেকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে ৯৮ জন। পাশ করেছে ৪৫ জন, পাশের হার ৪৫.৯২ শতাংশ।
শাহজালাল মহাবিদ্যালয় থেকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে ২২৫ জন। পাশ করেছে ১৭০ জন, পাশের হার ৭৫.৫৬ শতাংশ। এরমধ্যে মানবিক বিভাগ থেকে ১১৮ জন এবং বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ৫২ জন পাশ করেছে। জিপিএ- ৫ পেয়েছে ২ জন শিক্ষার্থী।
জামালগঞ্জ উপজেলার জামালগঞ্জ কলেজ থেকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে ১০১৬ জন। পাশ করেছে ৫২১ জন, পাশের হার ৫১.২৮ শতাংশ। এরমধ্যে বাণিজ্যে বিভাগ থেকে ৩৪, মানবিক বিভাগ থেকে ৪৪৬ জন এবং বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ৪১ জন পাশ করেছে। জিপিএ- ৫ পেয়েছে ১ জন শিক্ষার্থী।
শাল্লা উপজেলার সাউদেরশ্রী হাই স্কুল এন্ড কলেজের মানবিক বিভাগ থেকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে ৬০ জন। পাশ করেছে ৩৬ জন, পাশের হার ৬০.০০ শতাংশ।
শাল্লা কলেজ থেকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে ৪২০ জন। পাশ করেছে ২৯১ জন, পাশের হার ৬৯.২৯ শতাংশ। এরমধ্যে বাণিজ্যে বিভাগ থেকে ৫, মানবিক বিভাগ থেকে ২৪৮ জন এবং বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ৩৮ জন পাশ করেছে। জিপিএ- ৫ পেয়েছে ৩ জন শিক্ষার্থী।
দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার সুরমা হাই স্কুল এন্ড কলেজে মানবিক বিভাগ থেকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে ৯৩ জন। পাশ করেছে ৪০ জন, পাশের হার ৪৩.০১ শতাংশ।
ডুংরিয়া হাই স্কুল এন্ড কলেজের মানবিক বিভাগ থেকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে ৫৫ জন। পাশ করেছে ৪১ জন, পাশের হার ৭৪.৫৫ শতাংশ। জিপিএ- ৫ পেয়েছে ১ জন শিক্ষার্থী।
পাগলা হাই স্কুল এন্ড কলেজে মানবিক বিভাগ থেকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে ১২৮ জন। পাশ করেছে ৯৯ জন, পাশের হার ৭৭.৩৪ শতাংশ।
আব্দুল মজিদ কলেজ থেকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ১৫০ জন। পাশ করেছে ৭২ জন, পাশের হার ৪৮.০০ শতাংশ। এরমধ্যে বাণিজ্যে বিভাগ থেকে ৪, মানবিক বিভাগ থেকে ৬৮ জন পাশ করেছে।
তাহিরপুর উপজেলার টেকেরঘাট চুনাপাথর খনি প্রকল্প হাইস্কুল এন্ড কলেজে মানবিক বিভাগ থেকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে ৮৩ জন। পাশ করেছে ৭১ জন, পাশের হার ৮৫.৫৪ শতাংশ।
তাহিরপুর গার্লস হাই স্কুল এন্ড কলেজে মানবিক বিভাগ থেকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে ১৪৫ জন। পাশ করেছে ৬৩ জন, পাশের হার ৪৩.৪৫ শতাংশ।
জয়নাল আবেদীন কলেজ থেকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে ১২৮ জন। পাশ করেছে ৪৩ জন, পাশের হার ৩৩.৫৯ শতাংশ। এরমধ্যে বাণিজ্যে বিভাগ থেকে ১, মানবিক বিভাগ থেকে ৪২ জন পাশ করেছে।